কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
মাইক্রোসফট IIS (Internet Information Services) হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তৈরি একটি নমনীয় এবং সুরক্ষিত ওয়েব সার্ভার। এটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
ব্লুটুথ একটি তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি যা সাধারণত স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর কার্যকারিতা ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে ১০ মিটার থেকে শুরু করে ১০০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
Explanation
কিউ (Queue) হলো একটি ডেটা স্ট্রাকচার যা FIFO (First-In-First-Out) পদ্ধতি মেনে চলে। এতে ডেটা এক প্রান্ত (Rear) দিয়ে প্রবেশ করে এবং অন্য প্রান্ত (Front) দিয়ে বের হয়। অ্যারে বা স্ট্যাক এই পদ্ধতিতে কাজ করে না।
Explanation
লেজার প্রিন্টার বা পেজ প্রিন্টার হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রিন্টার। এটি পুরো পৃষ্ঠা একবারে প্রিন্ট করতে সক্ষম, যেখানে অন্যান্য প্রিন্টার লাইন বা ক্যারেক্টার ধরে প্রিন্ট করে।
Explanation
তথ্য প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হলো তথ্যের আদান-প্রদান। এর জন্য একটি উন্নত ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা অপরিহার্য, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক এবং টেলিযোগাযোগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
Explanation
গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিজ (Leibniz) ১৬৭১ সালে স্টেপড রেকনার নামে একটি উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে সক্ষম ছিল। ব্লেজ প্যাসকেলের যন্ত্রের উন্নত সংস্করণ এটি।
Explanation
অধ্যাপক লেল্যান্ড সি. ক্লার্ক (Leland C. Clark) ১৯৫৬ সালে বায়ো সেন্সরের ধারণা প্রবর্তন করেন। তাকে 'বায়ো সেন্সরের জনক' বলা হয়, কারণ তিনি অক্সিজেনের মাত্রা মাপার জন্য প্রথম ইলেকট্রোড আবিষ্কার করেছিলেন।
Explanation
টেলেক্স (Telex) একটি টেলিপ্রিন্টার নেটওয়ার্ক যা মূলত লিখিত বার্তা বা টেক্সট পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হতো। আধুনিক প্রযুক্তিতে এর মাধ্যমে শব্দ ও ছবির ডেটা ট্রান্সমিশনও সম্ভব হয়েছে।
Explanation
বিশ্বখ্যাত সেমিকন্ডাক্টর চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের (Intel) সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত। এটি সিলিকন ভ্যালির অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
Explanation
কম্পিউটার তার সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (০ এবং ১) ব্যবহার করে। এটিই কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা বা ডিজিটাল পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত।