কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বিং (Bing) হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি জনপ্রিয় ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন। এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে তথ্য, ছবি, ভিডিও এবং ম্যাপ খোঁজার সুবিধা প্রদান করে।
Explanation
প্রশ্নটি এবং অপশনগুলোর মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। অপশনগুলোতে 'বিং' ছাড়া বাকিগুলো সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন। সাধারণত মোবাইল কমিউনিকেশনে রোমিং বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে ধরা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'বিং' দেওয়া হয়েছে যা একটি সার্চ ইঞ্জিন।
Explanation
4G প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। এটি 3G-এর তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার রেট এবং উন্নত স্ট্রিমিং সুবিধা প্রদান করে, যা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন এনেছে।
Explanation
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল 'SEA-ME-WE 4'-এর ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারের ঝিলংজাতে অবস্থিত। দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশনটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় অবস্থিত।
Explanation
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কালে (১৯৭১-বর্তমান) মাইক্রোপ্রসেসর, পার্সোনাল কম্পিউটার, ইন্টারনেট (www), ডিভিডি এবং আইপডের মতো প্রযুক্তিগুলো আবিষ্কৃত ও জনপ্রিয় হয়েছে।
Explanation
BCD (Binary Coded Decimal) কোনো স্বতন্ত্র সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি নয়; এটি দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে প্রকাশ করার একটি কোডিং পদ্ধতি। ডেসিমেল, হেক্সাডেসিমেল ও অক্টাল হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
Explanation
মোবাইল কমিউনিকেশনের দ্বিতীয় প্রজন্ম বা 2G প্রযুক্তির যাত্রা বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডে। এটি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে ভয়েস কলের গুণমান উন্নত করেছিল এবং এসএমএস সুবিধা চালু করেছিল।
Explanation
NOT গেট হলো একটি মৌলিক লজিক গেট যার কেবল একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে। এটি ইনপুট সিগন্যালকে উল্টে দেয় (ইনভার্ট করে); অর্থাৎ ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয় এবং ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হয়।
Explanation
চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি ১৯ শতকে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' এবং পরে 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' নামক যান্ত্রিক কম্পিউটারের নকশা করেছিলেন, যা আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি স্থাপন করে।
Explanation
রংধনু সৃষ্টির সময় বৃষ্টির ফোঁটা বা পানির কণাগুলো প্রিজমের মতো কাজ করে। সূর্যের সাদা আলো পানির কণার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণের মাধ্যমে সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে রংধনু তৈরি করে।