ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণের মধ্যে ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ। এগুলো হলো: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ। বাকি ৪টি স্বরবর্ণ (এ, ঐ, ও, ঔ)।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনি নির্দেশক দুটি বর্ণ হলো ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’। ‘ঐ’ হলো অ+ই এবং ‘ঔ’ হলো ও+উ এর মিলিত রূপ।
Explanation
‘ঞ্জ’ যুক্তবর্ণটি ‘ঞ’ (ইও) এবং ‘জ’ এর সমন্বয়ে গঠিত (ঞ + জ)। যেমন: গঞ্জ, ব্যঞ্জন ইত্যাদি শব্দে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি। ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত এই ৩৯টি বর্ণ ভাষার ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে প্রকাশ করে।
Explanation
চ-বর্গের বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) এবং তালব্য শ, য, য় তালু থেকে উচ্চারিত হয়। তাই ‘চ’ একটি তালব্য বর্ণ।
Explanation
বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। এর মধ্যে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
Explanation
প-বর্গের বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাই এদের ওষ্ঠ্যবর্ণ বলা হয়।
Explanation
ত-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে। তাই এদের উচ্চারণ স্থান হলো দন্ত্য (দাঁত)।
Explanation
‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সহচর’ শব্দের সাথে ‘য’ (ষ্ণা বা য) প্রত্যয় যোগ করে। সহচর + য = সাহচর্য। এখানে আদি স্বর বৃদ্ধি পেয়েছে।
Explanation
ক, খ, গ হলো কণ্ঠধ্বনি। কিন্তু ‘প’ হলো ওষ্ঠ্যধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণে ঠোঁটের ব্যবহার হয়, কণ্ঠের নয়।