ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

330 Total Questions
Back to Category
A
৫টি
B
৮টি
C
৭টি
D
৬টি

Explanation

মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণের মধ্যে ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ। এগুলো হলো: ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ। বাকি ৪টি স্বরবর্ণ (এ, ঐ, ও, ঔ)।

A
ঐ, ঔ
B
ঈ, উ
C
ও, উ
D
এ, ঐ

Explanation

বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরধ্বনি নির্দেশক দুটি বর্ণ হলো ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’। ‘ঐ’ হলো অ+ই এবং ‘ঔ’ হলো ও+উ এর মিলিত রূপ।

A
জ্ + ঞ
B
ড্ + ঞ
C
ঞ্ + জ
D
ঞ্ + ড

Explanation

‘ঞ্জ’ যুক্তবর্ণটি ‘ঞ’ (ইও) এবং ‘জ’ এর সমন্বয়ে গঠিত (ঞ + জ)। যেমন: গঞ্জ, ব্যঞ্জন ইত্যাদি শব্দে এটি ব্যবহৃত হয়।

A
৩৯টি
B
৩৭টি
C
৪০টি
D
৪১টি

Explanation

বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি। ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত এই ৩৯টি বর্ণ ভাষার ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে প্রকাশ করে।

A
B
C
D

Explanation

চ-বর্গের বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) এবং তালব্য শ, য, য় তালু থেকে উচ্চারিত হয়। তাই ‘চ’ একটি তালব্য বর্ণ।

A
৪৯টি
B
১১টি
C
৩৯টি
D
৩২টি

Explanation

বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। এর মধ্যে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।

A
কণ্ঠবর্ণ
B
তালব্যবর্ণ
C
দন্ত্যবর্ণ
D
ওষ্ঠ্যবর্ণ

Explanation

প-বর্গের বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাই এদের ওষ্ঠ্যবর্ণ বলা হয়।

A
দন্ত্য
B
ওষ্ঠ্য
C
কণ্ঠ্য
D
নাসিকা

Explanation

ত-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে। তাই এদের উচ্চারণ স্থান হলো দন্ত্য (দাঁত)।

A
সাহ + চর + র্য
B
সহচর + ্যফলা
C
সহচর + য
D
কোনটিই নয়

Explanation

‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সহচর’ শব্দের সাথে ‘য’ (ষ্ণা বা য) প্রত্যয় যোগ করে। সহচর + য = সাহচর্য। এখানে আদি স্বর বৃদ্ধি পেয়েছে।

A
B
C
D

Explanation

ক, খ, গ হলো কণ্ঠধ্বনি। কিন্তু ‘প’ হলো ওষ্ঠ্যধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণে ঠোঁটের ব্যবহার হয়, কণ্ঠের নয়।