ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
প্রতিটি বর্গের পঞ্চম বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) এবং অনুস্বার, চন্দ্রবিন্দু উচ্চারণে নাক দিয়ে বাতাস বের হয়, তাই এদের নাসিক্য বর্ণ বলে। এখানে ঙ, ঞ, ণ সঠিক।
Explanation
বাংলা বর্ণমালা ৫০টি বর্ণ নিয়ে গঠিত। এটি মূলত দুই প্রকার: স্বরবর্ণ (১১টি) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (৩৯টি)। এই দুই প্রকার বর্ণই ভাষার লিখিত রূপ দেয়।
Explanation
বর্ণ প্রধানত দুই প্রকার: স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ। ধ্বনির প্রকারভেদের ওপর ভিত্তি করে বর্ণের এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
Explanation
‘ং’ (অনুস্বার) একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। এটি একা উচ্চারিত হতে পারে না, সর্বদা অন্য বর্ণের পরে বসে। অন্য অপশনগুলো স্বাধীন বর্ণ।
Q5. ন, স -
Explanation
‘ন’ (দন্ত্য-ন) এবং ‘স’ (দন্ত্য-স) উচ্চারণে জিহ্বা দাঁত বা দন্তমূল স্পর্শ করে। তাই এদের দন্ত্য বা দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। আধুনিক ব্যাকরণে দন্তমূলীয় বলা হয়।
Explanation
অঘোষ ধ্বনি (ক) যদি ঘোষ ধ্বনিতে (গ) পরিবর্তিত হয়, তবে তাকে ঘোষীভবন বলে। এখানে কাক > কাগ উচ্চারণে শেষের ‘ক’ ধ্বনিটি ‘গ’ হয়েছে, তাই এটি ঘোষীভবন।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মাত্র একটি স্বরবর্ণের ওপর অর্ধমাত্রা থাকে, সেটি হলো ‘ঋ’। বাকি অর্ধমাত্রার বর্ণগুলো সব ব্যঞ্জনবর্ণ (মোট ৮টির মধ্যে ৭টি ব্যঞ্জন)।
Explanation
এই উক্তিটিতে ‘ইট’ বলতে ভাষার গাঠনিক একক বা প্রতীককে বোঝানো হয়েছে। ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক হিসেবে ‘বর্ণ’ কেই ভাষার ইট বা গাঠনিক একক বলা হয়।
Explanation
স্বরবর্ণ ১১টি হলেও ‘কার’ চিহ্ন ১০টি। কারণ ‘অ’ বর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার নেই। অ ছাড়া বাকি ১০টি স্বরবর্ণের কার চিহ্ন রয়েছে।
Explanation
‘হৃ’ হলো ‘হ’ এবং ‘ঋ-কার’ বা ‘ঋ’ এর যুক্ত রূপ (হ+ঋ)। এটি হৃদয়, হৃতপিণ্ড ইত্যাদি শব্দে ব্যবহৃত হয়।