ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘তীক্ষ্ম’ শব্দের শেষে ‘ক্ষ্ম’ যুক্তবর্ণটি আছে। এটি ক + ষ + ম এর সমন্বয়ে গঠিত। ক্ষ (ক+ষ) এর সাথে ম-ফলা যুক্ত হয়েছে।
Explanation
বাক্য গঠিত হয় শব্দ দিয়ে। তাই বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। আর ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। প্রশ্নটি বাক্যের একক জানতে চেয়েছে।
Explanation
স্পর্শধ্বনিগুলোকে (ক থেকে ম) উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ৫টি গুচ্ছে বা বর্গে ভাগ করা হয়: ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, এবং প-বর্গ। প্রতি বর্গে ৫টি করে বর্ণ থাকে।
Explanation
খণ্ড-ত (ৎ) মূলত ‘ত’ বর্ণের হসন্ত রূপ বা খণ্ডিত রূপ। যখন ‘ত’ বর্ণের নিচে হসন্ত থাকে এবং শেষে বসে, তখন তাকে ‘ৎ’ হিসেবে লেখা হয়।
Explanation
অর্ধমাত্রার মোট ৮টি বর্ণের মধ্যে মাত্র ১টি স্বরবর্ণ, সেটি হলো ‘ঋ’। বাকি ৭টি হলো ব্যঞ্জনবর্ণ।
Explanation
বর্ণের ওপরে যে অনুভূমিক রেখা বা কষি টানা হয়, তাকে ‘মাত্রা’ বলা হয়। বাংলা লিপিতে মাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা শব্দের অখণ্ডতা প্রকাশ করে।
Explanation
অনুস্বার (ং) এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ঙ’ এর মতো হয়। যেমন: বাংলা (বাঙলা), রং (রঙ)। এটি নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
Explanation
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে তা পূর্ণরূপে না বসে কার-চিহ্ন (আ-কার, ই-কার) হিসেবে বসে।
Explanation
অন্তঃস্থ বর্ণ হলো য, র, ল, ব। স্পর্শ বর্ণ ও উষ্ম বর্ণের মাঝামাঝি অবস্থান করে বলে এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলে। অপশনে ‘য ও ব’ রয়েছে যা এই শ্রেণির।
Explanation
বাংলা ভাষায় বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি। এর মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ।