ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন। যেহেতু সন্ধিতে ধ্বনির পরিবর্তন ও মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশের অন্তর্ভুক্ত। ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি ও বর্ণের যাবতীয় বিষয় আলোচিত হয়।
Explanation
বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণে নিঃশ্বাস জোরে নির্গত হয়। এখানে 'খ' (ক-বর্গের ২য়) এবং 'ঝ' (চ-বর্গের ৪র্থ) হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
Explanation
এখানে 'ঔ' হলো যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর। এটি 'ও' এবং 'উ' এই দুটি স্বরের সমন্বয়ে গঠিত। অন্য অপশনগুলো (উ, অ, এ) মৌলিক স্বরধ্বনি, যাদের ভাঙা যায় না।
Explanation
ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। লিখিত বর্ণমালায় 'অ্যা' এর আলাদা বর্ণ নেই, তবে উচ্চারণে এটি বিদ্যমান।
Explanation
ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা বা অন্য বাকপ্রত্যঙ্গ মুখবিবরের কোথাও না কোথাও স্পর্শ করে, তাই এদের স্পর্শ বর্ণ বা বর্গীয় বর্ণ বলা হয়।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' কে যৌগিক বর্ণ বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলা হয়। 'ঐ' গঠিত হয় অ+ই দিয়ে এবং 'ঔ' গঠিত হয় ও+উ দিয়ে। এগুলো উচ্চারণে দুটি স্বর একত্রিত হয়।
Explanation
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য 'ষ' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এর সমন্বয়ে গঠিত (ষ + ণ)। এটি সাধারণত তৎসম শব্দে ব্যবহৃত হয়, যেমন: উষ্ণ, কৃষ্ণ, বিষ্ণু ইত্যাদি।
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে। প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) হলো ওষ্ঠ্যধ্বনির উদাহরণ।
Explanation
স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন তার সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলা হয়। যেমন: আ-কার, ই-কার।
Explanation
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য 'ষ' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এর সংযোগে গঠিত (ষ + ণ)। এই যুক্তবর্ণটি দেখতে অনেক সময় 'ষ' এবং 'ঞ' এর মতো মনে হতে পারে, কিন্তু সঠিক রূপ ষ+ণ।