ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না বা কাঁপে না, তাদের অঘোষ বর্ণ বলা হয়। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো সাধারণত অঘোষ বর্ণ হয়।
Explanation
স্বরধ্বনিমূল বা মৌলিক স্বরধ্বনি হলো ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা)। এগুলো ভাষার মূল ধ্বনি উপাদান যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে।
Explanation
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত প্রতীক। ভাষার ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকেই বর্ণ বলা হয়। তাই বর্ণ ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে।
Explanation
‘ই’ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ একে বিশ্লেষণ বা বিভাজন করা যায় না। অন্যদিকে ‘ঔ’ এবং ‘ঐ’ হলো যৌগিক স্বরধ্বনি, এবং ‘ঈ’ সাধারণত দীর্ঘ স্বর হিসেবে গণ্য হলেও মৌলিক ধ্বনির তালিকায় ‘ই’ প্রধান।
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বের হয়, তাদের নাসিক্য ধ্বনি বলে। বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) নাসিক্য ধ্বনি। এখানে ‘ম’ একটি নাসিক্য ধ্বনি।
Explanation
ণত্ব ও ষত্ব বিধান ধ্বনির পরিবর্তন ও বর্ণের সঠিক ব্যবহার বিষয়ক নিয়ম, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়। এটি বানানের শুদ্ধতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Explanation
যেকোনো ভাষার মতো বাংলা ভাষারও তিনটি প্রধান মৌলিক অংশ রয়েছে: ধ্বনি (Phonology), শব্দ (Morphology), এবং বাক্য (Syntax)। এগুলো ভাষার গঠন ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
Explanation
‘ঝ’ হলো চ-বর্গের চতুর্থ বর্ণ। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ হয় কারণ এগুলো উচ্চারণে ফুসফুস তাড়িত বাতাস জোরে নির্গত হয়। চ, ট, প হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি ভাষার শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ এবং এর মাধ্যমেই শব্দ গঠিত হয়। একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে তৈরি শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে।
Explanation
ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের স্থান হলো কণ্ঠ বা জিহ্বামূল। তাই এদের কণ্ঠধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়।