ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের ব্যবহার হয়, তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। প-বর্গের ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
Explanation
ত-বর্গের বর্ণগুলো (ত, থ, দ, ধ, ন) উচ্চারণে জিহ্বা দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে বলে এদের দন্ত্য ধ্বনি বলে। অপশনে 'ত', 'দ', 'ন' সবই দন্ত্য, তবে 'ত' এই বর্গের প্রধান প্রতিনিধি।
Explanation
ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তার আকৃতি সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। এই সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলা হয়। যেমন: য-ফলা, র-ফলা, ম-ফলা ইত্যাদি।
Explanation
নিঃশ্বাসের এক প্রয়াসে বা এক ঝোঁকে শব্দের যে অংশটুকু উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর (Syllable) বলে। এটি ধ্বনি নয়, বরং উচ্চারণের একক। যেমন: 'বন্ধন' শব্দে দুটি অক্ষর আছে (বন্+ধন্)।
Explanation
স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা পূর্ণরূপে না বসে সংক্ষিপ্ত চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। একে 'কার' বলে। যেমন: আকার, ইকার, উকার ইত্যাদি।
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান বা একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি মানুষের বাগযন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট অর্থবোধক আওয়াজ, যা ভাষার গাঠনিক ভিত্তি তৈরি করে।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। যদিও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি, কিন্তু সাধারণ অর্থে 'স্বরধ্বনি' বা 'স্বরবর্ণ' কয়টি জিজ্ঞাসা করলে উত্তর ১১টি হয়।
Explanation
পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জন থাকলে তার একটি লোপ পেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। এখানে 'বড় দাদা' থেকে একটি 'দা' লোপ পেয়ে 'বড়দা' হয়েছে, তাই এটি ব্যঞ্জনচ্যুতি।
Explanation
আদি বা অন্ত্য স্বরের প্রভাবে মধ্যবর্তী স্বরের পরিবর্তন হলে তাকে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন: জিলাপি > জিলিপি (এখানে আদ্য ও অন্ত্য ই-কারের প্রভাবে মাঝের আ-কার ই-কার হয়েছে)।
Explanation
মাত্রাবৃত্ত ছন্দে পূর্ণ-পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়, তবে ৫ বা ৭ মাত্রারও হতে পারে। কিন্তু আদর্শ মান হিসেবে ৬ মাত্রাই বেশি প্রচলিত। অক্ষরবৃত্তে ৮ বা ১০ মাত্রা দেখা যায়।