ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

330 Total Questions
Back to Category
A
দন্ত্য ধ্বনি
B
দন্তমূলীয় ধ্বনি
C
ওষ্ঠ্য ধ্বনি
D
দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি

Explanation

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের ব্যবহার হয়, তাদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলে। প-বর্গের ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

A
B
C
D

Explanation

ত-বর্গের বর্ণগুলো (ত, থ, দ, ধ, ন) উচ্চারণে জিহ্বা দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে বলে এদের দন্ত্য ধ্বনি বলে। অপশনে 'ত', 'দ', 'ন' সবই দন্ত্য, তবে 'ত' এই বর্গের প্রধান প্রতিনিধি।

A
রেফ
B
হসন্ত
C
কার
D
ফলা

Explanation

ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তার আকৃতি সংক্ষিপ্ত হয়ে যায়। এই সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলা হয়। যেমন: য-ফলা, র-ফলা, ম-ফলা ইত্যাদি।

A
যৌগিক ধ্বনি
B
অক্ষর
C
বর্ণ
D
মৌলিক স্বরধ্বনি

Explanation

নিঃশ্বাসের এক প্রয়াসে বা এক ঝোঁকে শব্দের যে অংশটুকু উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর (Syllable) বলে। এটি ধ্বনি নয়, বরং উচ্চারণের একক। যেমন: 'বন্ধন' শব্দে দুটি অক্ষর আছে (বন্+ধন্)।

A
কার
B
ফলা
C
স্বর
D
ব্যঞ্জন

Explanation

স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা পূর্ণরূপে না বসে সংক্ষিপ্ত চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। একে 'কার' বলে। যেমন: আকার, ইকার, উকার ইত্যাদি।

A
ধ্বনি
B
বর্ণ
C
শব্দ
D
বাক্য

Explanation

ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান বা একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি মানুষের বাগযন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট অর্থবোধক আওয়াজ, যা ভাষার গাঠনিক ভিত্তি তৈরি করে।

A
৯টি
B
১১টি
C
৭টি
D
৫টি

Explanation

বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। যদিও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি, কিন্তু সাধারণ অর্থে 'স্বরধ্বনি' বা 'স্বরবর্ণ' কয়টি জিজ্ঞাসা করলে উত্তর ১১টি হয়।

A
অসঙ্গতি
B
ব্যঞ্জনাবিকৃতি
C
বিষমীভবন
D
ব্যঞ্জনচ্যুতি

Explanation

পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জন থাকলে তার একটি লোপ পেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। এখানে 'বড় দাদা' থেকে একটি 'দা' লোপ পেয়ে 'বড়দা' হয়েছে, তাই এটি ব্যঞ্জনচ্যুতি।

A
জিলিপি
B
মুজো
C
মেলামেশা
D
তুলো

Explanation

আদি বা অন্ত্য স্বরের প্রভাবে মধ্যবর্তী স্বরের পরিবর্তন হলে তাকে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন: জিলাপি > জিলিপি (এখানে আদ্য ও অন্ত্য ই-কারের প্রভাবে মাঝের আ-কার ই-কার হয়েছে)।

A
B
C
D

Explanation

মাত্রাবৃত্ত ছন্দে পূর্ণ-পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়, তবে ৫ বা ৭ মাত্রারও হতে পারে। কিন্তু আদর্শ মান হিসেবে ৬ মাত্রাই বেশি প্রচলিত। অক্ষরবৃত্তে ৮ বা ১০ মাত্রা দেখা যায়।