ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
শব্দের জোর বা গুরুত্ব বোঝানোর জন্য কোনো ব্যঞ্জনকে দুইবার উচ্চারণ করা হলে তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বলে। এখানে 'ড়' ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়ে 'ড্ড' হয়েছে।
Explanation
এই পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণের সময় ওপরের ও নিচের ঠোঁট বা ওষ্ঠ স্পর্শ করে। তাই উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এদের ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় মোট যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি। তবে বর্ণমালায় এর জন্য মাত্র ২টি স্বতন্ত্র বর্ণ (ঐ, ঔ) রয়েছে। বাকিগুলো উচ্চারণে পাওয়া যায় কিন্তু আলাদা বর্ণ নেই।
Explanation
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। 'পিশাচ' শব্দটি উচ্চারণে 'পিচাশ' হলে 'শ' এবং 'চ' তাদের স্থান অদলবদল করেছে, যা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ।
Explanation
চ-বর্গের বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) এবং তালব্য-শ, য, য় উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুকে স্পর্শ করে। তাই এদের তালব্য বর্ণ বলা হয়।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি হলেও প্রকৃত ব্যঞ্জন বা মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে অনেক ভাষাবিদ ৩৫টিকে গণ্য করেন (কিছু যৌগিক ও রূপভেদ বাদ দিয়ে)। তবে সাধারণ পাঠ্যবইয়ে ৩৯টিই প্রচলিত।
Explanation
স্বরতন্ত্রী অনুরণন বা কম্পন অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে) এবং অঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে না)।
Explanation
ধ্বনি উচ্চারণের জন্য ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই প্রক্রিয়ায় মুখবিবর হলো ক্ষেত্র এবং জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য (ঠোঁট) হলো প্রধান সক্রিয় উপকরণ।
Explanation
প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুটি ঠোঁট বা ওষ্ঠ পরস্পরকে স্পর্শ করে, তাই এদের দ্বি-ওষ্ঠ্য বা ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
Explanation
ব্যঞ্জনবর্ণ স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না। তাই উচ্চারণের সুবিধার্থে প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে একটি অ-কার (অ স্বরধ্বনি) যুক্ত আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।