ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। এর মধ্যে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
Explanation
প-বর্গের বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাই এদের ওষ্ঠ্যবর্ণ বলা হয়।
Explanation
ত-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে। তাই এদের উচ্চারণ স্থান হলো দন্ত্য (দাঁত)।
Explanation
‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সহচর’ শব্দের সাথে ‘য’ (ষ্ণা বা য) প্রত্যয় যোগ করে। সহচর + য = সাহচর্য। এখানে আদি স্বর বৃদ্ধি পেয়েছে।
Explanation
ক, খ, গ হলো কণ্ঠধ্বনি। কিন্তু ‘প’ হলো ওষ্ঠ্যধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণে ঠোঁটের ব্যবহার হয়, কণ্ঠের নয়।
Explanation
বাংলা বর্ণমালা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত: স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ। এই দুই ধরনের বর্ণ মিলেই সম্পূর্ণ বর্ণমালা গঠিত।
Explanation
‘অ’ ধ্বনিটি প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে মিশে থাকে বা লীন হয়ে থাকে (যেমন ক্+অ = ক)। তাই ‘অ’ কে নিলীন বর্ণ বলা হয়।
Explanation
ক-বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণে জিহ্বামূল কণ্ঠনালী স্পর্শ করে, তাই এদের কণ্ঠমূলীয় বা কণ্ঠধ্বনি বলা হয়। ঙ-ও এই বর্গের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু ক-ঘ পর্যন্তও একই শ্রেণিভুক্ত।
Explanation
‘কুজ্ঝটিকা’ শব্দের ‘জ্ঝ’ যুক্তবর্ণটি ‘জ’ এবং ‘ঝ’ এর সংযোগে গঠিত (জ+ঝ)। এটি উচ্চারণে ‘ঝ’ এর উপর জোর দেয়।
Explanation
‘ত্ম্য’ যুক্তবর্ণটি ত, ম এবং য-ফলা (য) এর সমন্বয়ে গঠিত। অর্থাৎ ত+ম+য = ত্ম্য। যেমন: মাহাত্ম্য।