ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

330 Total Questions
Back to Category
A
৪৯টি
B
১১টি
C
৩৯টি
D
৩২টি

Explanation

বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। এর মধ্যে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।

A
কণ্ঠবর্ণ
B
তালব্যবর্ণ
C
দন্ত্যবর্ণ
D
ওষ্ঠ্যবর্ণ

Explanation

প-বর্গের বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাই এদের ওষ্ঠ্যবর্ণ বলা হয়।

A
দন্ত্য
B
ওষ্ঠ্য
C
কণ্ঠ্য
D
নাসিকা

Explanation

ত-বর্গের বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় স্পর্শ করে। তাই এদের উচ্চারণ স্থান হলো দন্ত্য (দাঁত)।

A
সাহ + চর + র্য
B
সহচর + ্যফলা
C
সহচর + য
D
কোনটিই নয়

Explanation

‘সাহচর্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সহচর’ শব্দের সাথে ‘য’ (ষ্ণা বা য) প্রত্যয় যোগ করে। সহচর + য = সাহচর্য। এখানে আদি স্বর বৃদ্ধি পেয়েছে।

A
B
C
D

Explanation

ক, খ, গ হলো কণ্ঠধ্বনি। কিন্তু ‘প’ হলো ওষ্ঠ্যধ্বনি, কারণ এটি উচ্চারণে ঠোঁটের ব্যবহার হয়, কণ্ঠের নয়।

A
২ ভাগে
B
৪ ভাগে
C
৩ ভাগে
D
৫ ভাগে

Explanation

বাংলা বর্ণমালা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত: স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ। এই দুই ধরনের বর্ণ মিলেই সম্পূর্ণ বর্ণমালা গঠিত।

A
B
C
D

Explanation

‘অ’ ধ্বনিটি প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে মিশে থাকে বা লীন হয়ে থাকে (যেমন ক্+অ = ক)। তাই ‘অ’ কে নিলীন বর্ণ বলা হয়।

A
কণ্ঠমূলীয়
B
দন্তমূলীয়
C
ওষ্ঠবর্ণ
D
স্পর্শবর্ণ

Explanation

ক-বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণে জিহ্বামূল কণ্ঠনালী স্পর্শ করে, তাই এদের কণ্ঠমূলীয় বা কণ্ঠধ্বনি বলা হয়। ঙ-ও এই বর্গের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু ক-ঘ পর্যন্তও একই শ্রেণিভুক্ত।

A
জ + ঝ
B
ঝ + ঝ
C
ঝ + জ
D
ঝ + ব

Explanation

‘কুজ্ঝটিকা’ শব্দের ‘জ্ঝ’ যুক্তবর্ণটি ‘জ’ এবং ‘ঝ’ এর সংযোগে গঠিত (জ+ঝ)। এটি উচ্চারণে ‘ঝ’ এর উপর জোর দেয়।

A
ত + ণ + য
B
ত + য + ম
C
ত + ম + য
D
ত + য + ন

Explanation

‘ত্ম্য’ যুক্তবর্ণটি ত, ম এবং য-ফলা (য) এর সমন্বয়ে গঠিত। অর্থাৎ ত+ম+য = ত্ম্য। যেমন: মাহাত্ম্য।