ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ব্রাহ্মণ শব্দের ‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি ‘হ’ এবং ‘ম’ এর সমন্বয়ে গঠিত (হ+ম)। এটি একটি সাধারণ ভুল হওয়ার মতো যুক্তবর্ণ, তাই সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় ৩টি পরাশ্রয়ী বর্ণ আছে: ং (অনুস্বার), ঃ (বিসর্গ), এবং ঁ (চন্দ্রবিন্দু)। এগুলো স্বাধীনভাবে বসতে পারে না, অন্য বর্ণের আশ্রয়ে উচ্চারিত হয়।
Explanation
‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ‘ক’ এবং মূর্ধন্য ‘ষ’ এর সংযোগে গঠিত (ক+ষ)। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত যুক্তবর্ণ।
Explanation
জিহ্বার সম্মুখ ভাগের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে সম্মুখ স্বরধ্বনি বলে। যেমন: ই, এ, অ্যা। এই ধ্বনিগুলো উচ্চারণে জিহ্বা সামনের দিকে এগিয়ে আসে।
Explanation
ই, জ, ঞ, য়—এগুলো তালব্য বর্ণের অন্তর্ভুক্ত। চ-বর্গীয় ধ্বনি এবং ই-কারাদি তালু থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের তালব্য বর্ণ বলা হয়।
Explanation
প্রতিটি বর্গের পঞ্চম বর্ণ (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) এবং অনুস্বার, চন্দ্রবিন্দু উচ্চারণে নাক দিয়ে বাতাস বের হয়, তাই এদের নাসিক্য বর্ণ বলে। এখানে ঙ, ঞ, ণ সঠিক।
Explanation
বাংলা বর্ণমালা ৫০টি বর্ণ নিয়ে গঠিত। এটি মূলত দুই প্রকার: স্বরবর্ণ (১১টি) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ (৩৯টি)। এই দুই প্রকার বর্ণই ভাষার লিখিত রূপ দেয়।
Explanation
বর্ণ প্রধানত দুই প্রকার: স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ। ধ্বনির প্রকারভেদের ওপর ভিত্তি করে বর্ণের এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে।
Explanation
‘ং’ (অনুস্বার) একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। এটি একা উচ্চারিত হতে পারে না, সর্বদা অন্য বর্ণের পরে বসে। অন্য অপশনগুলো স্বাধীন বর্ণ।
Q10. ন, স -
Explanation
‘ন’ (দন্ত্য-ন) এবং ‘স’ (দন্ত্য-স) উচ্চারণে জিহ্বা দাঁত বা দন্তমূল স্পর্শ করে। তাই এদের দন্ত্য বা দন্তমূলীয় ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। আধুনিক ব্যাকরণে দন্তমূলীয় বলা হয়।