ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বর্ণের ওপরে যে অনুভূমিক রেখা বা কষি টানা হয়, তাকে ‘মাত্রা’ বলা হয়। বাংলা লিপিতে মাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা শব্দের অখণ্ডতা প্রকাশ করে।
Explanation
অনুস্বার (ং) এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ঙ’ এর মতো হয়। যেমন: বাংলা (বাঙলা), রং (রঙ)। এটি নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়।
Explanation
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ‘কার’ বলে। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হলে তা পূর্ণরূপে না বসে কার-চিহ্ন (আ-কার, ই-কার) হিসেবে বসে।
Explanation
অন্তঃস্থ বর্ণ হলো য, র, ল, ব। স্পর্শ বর্ণ ও উষ্ম বর্ণের মাঝামাঝি অবস্থান করে বলে এদের অন্তঃস্থ বর্ণ বলে। অপশনে ‘য ও ব’ রয়েছে যা এই শ্রেণির।
Explanation
বাংলা ভাষায় বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি। এর মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
Explanation
‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি ‘ক’ এবং মূর্ধন্য ‘ষ’ এর সংযোগে গঠিত (ক+ষ)। এটি দেখতে স্বতন্ত্র হলেও আসলে একটি যুক্তবর্ণ।
Explanation
‘ং’ (অনুস্বার) একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ। এটি অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না। ঙ, ঞ, ৎ স্বাধীনভাবে বা যুক্তবর্ণে বসলেও ং সর্বদা আশ্রিত।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি। এর মধ্যে ৬টি স্বরবর্ণ এবং ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।
Explanation
‘এ’ হলো একটি স্বরবর্ণ। গ, ত, ম এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণ। স্বরবর্ণ ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে।
Explanation
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জন পরস্পর স্থান পরিবর্তন করলে তাকে বর্ণ বিপর্যয় বা ধ্বনি বিপর্যয় বলে। লাফ > ফাল (ল ও ফ স্থান বদলেছে) এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।