বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
মওলানা মোহাম্মদ আলী ছিলেন খিলাফত আন্দোলনের অন্যতম নেতা। তিনি এবং তার ভাই মওলানা শওকত আলী এই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯১৯-১৯২৪ সালে তুরস্কের খলিফার পদমর্যাদা রক্ষার জন্য ভারতীয় মুসলমানরা এই আন্দোলন করেন। মওলানা মোহাম্মদ আলী এই আন্দোলনকে সংগঠিত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
Explanation
মাওলানা মোহাম্মদ আলী অসহযোগ এবং খিলাফত উভয় আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত স্মরণীয় নায়ক। তিনি খিলাফত আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন এবং মহাত্মা গান্ধীর সাথে মিলে অসহযোগ আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এই দুই আন্দোলনের সমন্বয় ঘটিয়ে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
Explanation
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ এবং ১৯২৩ সালে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি সম্পাদিত হয়। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করেন। ১৯২৩ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বেঙ্গল প্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয়, যা বাংলার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Explanation
এ. কে. ফজলুল হক কৃষক-শ্রমিক পার্টির নেতা ছিলেন। ১৯২৯ সালে তিনি কৃষক প্রজা পার্টি গঠন করেন, যা পরবর্তীতে কৃষক-শ্রমিক পার্টি নামে পরিচিত হয়। এই দলের মাধ্যমে তিনি কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করেন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে এই দল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
Explanation
এ. কে. ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে কৃষক প্রজা পার্টি এবং মুসলিম লীগের কোয়ালিশন সরকার গঠন করে তিনি বাংলার প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী হন। তিনি ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
Explanation
এ. কে. ফজলুল হকের আমলে বাংলায় 'ঋণ সালিশি আইন' প্রণীত হয়। ১৯৪০ সালে তিনি এই আইন পাস করেন যা 'বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট' নামেও পরিচিত। এই আইনের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণের বোঝা লাঘব করা হয় এবং মহাজনদের শোষণ থেকে কৃষকদের রক্ষা করা হয়।
Explanation
এ. কে. ফজলুল হক জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। তিনি কৃষক প্রজা পার্টির নেতা হিসেবে জমিদারি প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন এবং কৃষকদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। তার প্রচেষ্টার ফলেই পরবর্তীতে ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়।
Explanation
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বি-জাতিতত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন। এই তত্ত্ব অনুযায়ী হিন্দু ও মুসলমান দুটি পৃথক জাতি এবং তাদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রয়োজন। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে এই তত্ত্বের প্রতিফলন ঘটে। এই তত্ত্বের ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগ হয় এবং পাকিস্তান সৃষ্টি হয়।
Explanation
এ. কে. ফজলুল হক ১৯৪০ সালের বিখ্যাত লাহোর রেজুলেশন উত্থাপন করেন। ২৩ মার্চ ১৯৪০ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে তিনি এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবে ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলোতে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়।
Explanation
এ কে ফজলুল হক ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন। তিনি তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই ঐতিহাসিক প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবে 'রাষ্ট্রসমূহ' (States) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সৃষ্টির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।