বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
দুদু মিয়া (১৮১৯-১৮৬২) ফরায়েজী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র এবং তার মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। দুদু মিয়ার প্রকৃত নাম ছিল মুহাম্মদ মুহসীন উদ্দীন আহমদ। তিনি এই আন্দোলনকে আরও সংগঠিত এবং শক্তিশালী করে তোলেন।
Explanation
এটি দুদু মিয়ার ঘোষণা। তিনি ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন যে, জমি আল্লাহর সৃষ্টি, তাই জমি থেকে খাজনা আদায় করা আল্লাহর আইনের পরিপন্থী। এই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি জমিদারি প্রথার বিরুদ্ধে কৃষকদের সংগঠিত করেছিলেন এবং খাজনা প্রদান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
Explanation
১৮৫৭ সালে উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়, যা সিপাহী বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এটি ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিপাহীদের একটি ব্যাপক বিদ্রোহ। যদিও এটি ব্যর্থ হয়েছিল, তবুও এটি ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
Explanation
সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে শুরু হয়। ১০ মে ১৮৫৭ তারিখে মিরাটে এই বিদ্রোহের সূচনা হয় এবং দ্রুত উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এনফিল্ড রাইফেলের কার্তুজে গরু ও শূকরের চর্বি ব্যবহারের গুজব এই বিদ্রোহের অন্যতম কারণ ছিল। এটি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
Explanation
নীল বিদ্রোহ ১৮৫৯-৬২ সালে সংঘটিত হয়। এটি ছিল বাংলার নীলচাষীদের ব্রিটিশ নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে একটি কৃষক বিদ্রোহ। নদীয়া জেলার চৌগাছা গ্রামে ১৮৫৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই বিদ্রোহ শুরু হয়। দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটক এই বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত।
Explanation
বাংলাদেশে নীল বিদ্রোহের অবসান হয় ১৮৬০ সালে। নীল কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারি হস্তক্ষেপের ফলে নীলচাষীদের উপর অত্যাচার বন্ধ হয় এবং জোরপূর্বক নীলচাষ বন্ধ করা হয়। এই বিদ্রোহের ফলে নীলকরদের অত্যাচার অনেকাংশে হ্রাস পায় এবং কৃষকরা কিছুটা স্বস্তি লাভ করে।
Explanation
নীলচাষীদের বিদ্রোহের ফলে বাংলাদেশ থেকে নীলচাষ বিলুপ্ত হয়। ১৮৫৯-৬০ সালের নীল বিদ্রোহ নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, ব্রিটিশ সরকার নীল কমিশন গঠন করতে বাধ্য হয়। এই বিদ্রোহের ফলে নীলকররা বাংলা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয় এবং নীলচাষ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
Explanation
ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৬-৪৭ সালে বাংলার তেভাগা আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাজশাহীর নাচোল অঞ্চলে কৃষকদের সংগঠিত করে তিনি জমিদারি শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তার সাহসী নেতৃত্বের জন্য তিনি 'নাচোলের রানী' নামে পরিচিত।
Explanation
ইলা মিত্র ছিলেন তেভাগা আন্দোলনের বিখ্যাত নেত্রী। ১৯৪৬-৪৭ সালের এই কৃষক আন্দোলনে তিনি রাজশাহীর নাচোল অঞ্চলে নেতৃত্ব দেন। তেভাগা আন্দোলনের দাবি ছিল ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ কৃষকের এবং এক ভাগ জমিদারের। ইলা মিত্রের সাহসী নেতৃত্ব এই আন্দোলনকে শক্তিশালী করে তোলে।
Explanation
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫ তারিখে বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজে এর প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ভারতের প্রথম জাতীয় রাজনৈতিক সংগঠন যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়।