সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি সংলাপনির্ভর এবং এতে নাটকীয় গুণাবলি বিদ্যমান। রাধা, কৃষ্ণ ও বড়াই চরিত্রের উক্তি-প্রত্যুক্তির মাধ্যমে কাহিনী এগিয়েছে বলে একে ‘নাট্যগীতি’ বা ‘ধামালী’ জাতীয় কাব্য বলা হয়।
Explanation
‘ক্ষুধিত পাষাণ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প। ‘মেহের আলি’ এই গল্পের একটি রহস্যময় চরিত্র, যে বারবার সাবধান করে বলে— ‘তফাৎ যাও, সব ঝুট হ্যায়’। এই উক্তিটি গল্পের আবহ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
Explanation
‘অথচ’ অব্যয়টি এখানে দুটি ভাবের মধ্যে বিরোধ বা সংকোচন ঘটিয়েছে। বিদ্বান হলে অহংকার থাকার সম্ভাবনা থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই বুঝিয়েছে। তাই ‘অথচ’, ‘কিন্তু’, ‘বরং’ ইত্যাদি সমুচ্চয়ী সংকোচক অব্যয়।
Explanation
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’-এর আদি কবি বা প্রথম পদকর্তা হলেন লুইপা। চর্যাপদের প্রথম পদটি তাঁর রচিত। তিব্বতি ঐতিহ্যে তাঁকে সিদ্ধাচার্যদের মধ্যে প্রধান এবং আদিগুরু হিসেবে সম্মান করা হয়।
Explanation
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী প্রমীলা দেবীর সমাধি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে অবস্থিত। এটি কবির জন্মস্থানও বটে। ১৯৬২ সালে প্রমীলা দেবী মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে সেখানে সমাহিত করা হয়।
Explanation
‘রূপাই’ ও ‘সাজু’ পল্লিকবি জসীমউদ্দীন রচিত আখ্যানকাব্য ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’-এর প্রধান দুটি চরিত্র। গ্রামবাংলার পটভূমিতে রচিত এই কাব্যে তাদের প্রেম, বিরহ ও ট্র্যাজেডি অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
Explanation
‘অগ্নিবীণা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে সোনার তরী, চিত্রা এবং বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম।
Explanation
‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন (Farce)। এতে তৎকালীন নব্য শিক্ষিত বা ‘ইয়ং বেঙ্গল’ সমাজের উশৃঙ্খলতা, মদ্যপান ও নৈতিক অবক্ষয়কে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
Explanation
বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন প্রমথ চৌধুরী। তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত করে। তাঁর প্রবন্ধ সংকলন ‘বীরবলের হালখাতা’ বেশ বিখ্যাত।
Explanation
‘রূপসী বাংলা’ জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যে বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি, নদী ও গ্রামীণ সৌন্দর্য অদ্ভুত মমতায় ফুটে উঠেছে। তাঁকে ‘রূপসী বাংলার কবি’ বলা হয়।