সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘মৈমনসিংহ গীতিকা’র প্রধান সংগ্রাহক ছিলেন চন্দ্রকুমার দে। তিনি নেত্রকোনার আইথর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
Explanation
‘কবর’ মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি জেলে থাকাকালীন এটি রচনা করেন। এটি ১৯৫৩ সালে প্রথম মঞ্চস্থ হয়। নাটকে শহিদদের আত্মত্যাগ ও সরকারি দমনের চিত্র ফুটে উঠেছে।
Explanation
‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। কৃষ্ণনগর ও চুরুলিয়ার পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের দারিদ্র্য ও কুসংস্কারের চিত্র এবং মেজো বউ চরিত্রের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
Explanation
সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ‘ছন্দের জাদুকর’ বলা হয় কারণ তিনি বাংলা কাব্যে ছন্দের বিচিত্র ও নিপুণ ব্যবহার করেছেন। তিনি আরবি-ফারসি ছন্দকেও বাংলা কবিতায় সার্থকভাবে প্রয়োগ করেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘পালকির গান’।
Explanation
‘সোনালী কাবিন’ আল মাহমুদের লেখা সবচেয়ে জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যে গ্রামবাংলার লোকজ উপাদান, মিথ এবং নর-নারীর প্রেমের সম্পর্ক আধুনিক আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।
Explanation
চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হিসেবে স্বীকৃত। তিনি ষোড়শ শতকের মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম রচয়িতা দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা ছিলেন। তাঁর রচিত ‘রামায়ণ’ (অসমাপ্ত) বাংলা সাহিত্যে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
Explanation
কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে রচিত হয় এবং ১৯২২ সালের জানুয়ারি মাসে বিজলী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
Explanation
এই উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘রাজসিংহ’ (১৮৮২)-এর। মানুষের হৃদয় ও অনুভূতির গভীরতা বোঝাতে লেখক এই উক্তিটি ব্যবহার করেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস।
Explanation
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর গীতিনাট্য ‘বসন্ত’ (১৯২৩) কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন। নজরুল তখন আলিপুর জেলে বন্দী ছিলেন। এর প্রতিদানে নজরুল তাঁর ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন।
Explanation
পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ (Manoel da Assumpcam) প্রথম বাংলা ভাষার অভিধান ও ব্যাকরণ রচনা করেন। তাঁর গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা-পর্তুগিজ ভাষার অভিধান ছিল।