সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ছিলেন ‘সওগাত’ (১৯১৮) পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। এই পত্রিকা মুসলিম সমাজের সাহিত্যচর্চা এবং নারী জাগরণে অসামান্য অবদান রাখে। বেগম রোকেয়া ও নজরুলের অনেক লেখা এখানে প্রকাশিত হয়।
Explanation
শহীদুল্লা কায়সারের ‘সংশপ্তক’, সেলিনা হোসেনের ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ এবং হাসান আজিজুল হকের ‘আগুনপাখি’—এগুলো পরিসর ও বিষয়বস্তুর দিক থেকে মহাকাব্যিক। কিন্তু শওকত ওসমানের ‘জাহান্নাম হতে বিদায়’ (১৯৭১) একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, যা মহাকাব্যিক নয়।
Explanation
‘শোকার্ত তরবারী’ হাসান হাফিজুর রহমানের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের সম্পাদক। তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক চেতনা প্রবল।
Explanation
এখানে ‘তবু’ শব্দটি দুটি বাক্যকে সংযুক্ত করেছে এবং অর্থের সংকোচন ঘটিয়েছে। তাই এটি যোজক (Conjunction)। ব্যাকরণে ‘কিন্তু’, ‘অথচ’, ‘তবু’ ইত্যাদি বৈপরীত্যমূলক যোজক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘ঝরা পালক’ (১৯২৭) জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনার কিছুটা প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, যা তাঁর পরবর্তী কাব্যগুলোতে দেখা যায় না। ‘নীলিমা’ এই কাব্যের অন্যতম কবিতা।
Explanation
ক্রিয়ার কাল প্রধানত ৩ প্রকার: বর্তমান কাল, অতীত কাল এবং ভবিষ্যৎ কাল। তবে প্রতিটি কালের আবার বিভিন্ন উপবিভাগ রয়েছে (যেমন—সাধারণ, ঘটমান, পুরাঘটিত ইত্যাদি)। মৌলিক বিভাজন হিসেবে ৩টিই সঠিক।
Explanation
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ (১৯৭৬) সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য। এতে মুক্তিযুদ্ধের সময় গ্রামীণ জনপদে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের অত্যাচার এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের চিত্র ফুটে উঠেছে।
Explanation
‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ (১৯৬২) মুনীর চৌধুরী রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক। ১৭৬১ সালের পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে এটি রচিত। ইব্রাহিম কার্দি ও জোহরা বেগমের প্রেম এবং যুদ্ধের ট্র্যাজেডি এই নাটকের মূল বিষয়।
Explanation
বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে নামধাতু বলে। যেমন: বেত (বিশেষ্য) + আ = বেতা। এটি সাধারণত ‘বেতানো’ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়ার পালের সামনে থাকা ভেড়া যেদিকে যায়, পেছনেরগুলোও অন্ধভাবে তাকে অনুসরণ করে। এই স্বভাব থেকেই ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারাটি এসেছে, যার অর্থ অন্ধ অনুকরণ।