সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
এই রোমান্টিক পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থের ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতার অন্তর্গত। এই কবিতায় কবি শাশ্বত প্রেমের কথা বলেছেন, যা যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন রূপে ফিরে আসে।
Explanation
চর্যাপদ আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি ছিল ‘মহামহোপাধ্যায়’। সংস্কৃত সাহিত্যে ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার ১৮৯৮ সালে তাঁকে এই উপাধি প্রদান করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান ছিলেন।
Explanation
‘কর্ণফুলী’ (১৯৬২) আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস। পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি এবং সংগ্রাম এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
Explanation
জনপ্রিয় সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘নীললোহিত’ ছদ্মনামে লিখতেন। এই নামে তিনি অনেক গল্প, উপন্যাস ও রম্যরচনা লিখেছেন। এছাড়াও তিনি ‘সনাতন পাঠক’ ও ‘নীলপদ্ম’ ছদ্মনামও ব্যবহার করতেন।
Explanation
ধ্বনি উচ্চারণের জন্য মানবদেহের যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবহৃত হয়, তাদের একত্রে বাগযন্ত্র বলে। এর মধ্যে ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, জিব, তালু, দাঁত, ঠোঁট, নাক ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। তাই উপরের সবকটিই বাগযন্ত্রের অংশ।
Explanation
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘শব্দতত্ত্ব’ গ্রন্থে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, কর্ম কারক দিয়েই সম্প্রদান কারকের কাজ চালানো সম্ভব। আধুনিক বাংলা ব্যাকরণেও অনেকে সম্প্রদান কারক স্বীকার করেন না।
Explanation
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের ‘কেন্তুম’ শাখার দুটি ভাষা—‘হিত্তিক’ (Hittite) এবং ‘তুখারিক’ (Tocharian) এশিয়ায় পাওয়া গেছে। হিত্তিক এশিয়া মাইনরে এবং তুখারিক মধ্য এশিয়ায় প্রচলিত ছিল।
Explanation
এটি চর্যাপদের ২য় পদের একটি পঙক্তি। কুক্কুরিপা রচিত এই পদের অর্থ হলো ‘গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়’। এটি একটি রূপক বাক্য, যার মাধ্যমে অসম্ভব বা অবাস্তব কোনো ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে।
Explanation
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এটি ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। মোগল-পাঠান যুদ্ধের পটভূমিতে জগৎসিংহ, তিলোত্তমা ও আয়েষা চরিত্র নিয়ে এটি রচিত।
Explanation
স্বর্ণকুমারী দেবী (রবীন্দ্রনাথের বড় বোন) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক। তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস ‘দীপনির্বাণ’ ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ‘ভারতী’ পত্রিকা সম্পাদনাও করেছিলেন।