সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘রক্তকবরী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি সাঙ্কেতিক ও রূপকধর্মী নাটক। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই নাটকে যান্ত্রিক সভ্যতা ও মানবাত্মার সংঘাতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ‘চোখের বালি’ ও ‘ঘরে-বাইরে’ উপন্যাস, এবং ‘বলাকা’ কাব্য।
Explanation
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য ১৯২২ সালে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। এই কবিতায় তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন, যা সরকার রাজদ্রোহ হিসেবে গণ্য করে।
Explanation
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা হলো ‘বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী’। এটি একটি গল্প যা ১৯১৯ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি দিয়েই বাংলা সাহিত্যে নজরুলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে।
Explanation
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ছিলেন বিখ্যাত ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক। ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাঙালি মুসলিম সমাজে সাহিত্য চর্চা এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারা প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Explanation
‘পথের দাবি’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। সব্যসাচী নামক বিপ্লবী চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত এই উপন্যাসে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের চিত্র ফুটে উঠেছে, যার কারণে ব্রিটিশ সরকার এটি নিষিদ্ধ করেছিল।
Explanation
‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত এই কাব্যে তিনি ইসলামি ঐতিহ্য এবং রোমান্টিকতার সংমিশ্রণে মুসলিম জাগরণের স্বপ্ন দেখেছেন। সিন্দাবাদ নাবিকের রূপক ব্যবহার এখানে উল্লেখযোগ্য।
Explanation
‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ (আধুনিক খণ্ড) যৌথভাবে রচনা করেন মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান। এই গ্রন্থে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা, কবি ও লেখকদের কর্ম নিয়ে বিস্তারিত এবং বিশ্লেষণমূলক আলোচনা করা হয়েছে।
Explanation
‘মরু ভাস্কর’ হলো মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী রচিত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি জনপ্রিয় জীবনীগ্রন্থ। সহজ-সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় রচিত এই গ্রন্থে মহানবীর জীবন, আদর্শ এবং মানবতার জয়গান অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
Explanation
‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ সম্পাদনা করেন ড. আহমদ শরীফ। এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত অভিধান, যা বাংলা শব্দের অর্থ ও বানান সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেয়।
Explanation
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ নামে বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে একগুচ্ছ কবিতা রচনা করেন। মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদকর্তাদের (যেমন বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস) অনুকরণে ব্রজবুলি ভাষায় তিনি এই চমৎকার পদগুলো লিখেছিলেন।