সাহিত্য - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
সাহিত্যের ভাষায় ‘পদ’ বা ‘পদাবলী’ বলতে বৌদ্ধ বা বৈষ্ণব ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব ও সাধন ভজন বিষয়ক বিশেষ গীতি-কবিতাকে বোঝায়। চর্যাপদ এবং বৈষ্ণব পদাবলী বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
Explanation
‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ। ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব মতবাদ ‘গৌড়ীয় প্রাকৃত’ থেকে বাংলা ভাষার উদ্ভবের কথা প্রমাণ করেন।
Explanation
‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি শোকগাঁথা বা বিলাপমূলক রচনা। ১৮৯২ সালে বন্ধু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশুকন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে তিনি এই আবেগময় গদ্যটি রচনা করেন।
Explanation
‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি সনেট সংকলন। ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে ১০২টি সনেট রয়েছে। পেত্রার্কীয় রীতির অনুসরণে বাংলায় সনেট রচনার ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি।
Explanation
‘বিষের বাঁশী’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৪ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে ব্রিটিশ বিরোধী জ্বালাময়ী কবিতা থাকার কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি নিষিদ্ধ ও বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেছিল।
Explanation
‘কবর’ মুনীর চৌধুরী রচিত একটি বিখ্যাত একাঙ্কিকা নাটক। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই নাটকটি ১৯৫৩ সালে জেলখানায় বসে তিনি রচনা করেন এবং সেখানেই এটি প্রথম মঞ্চস্থ হয়। এটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম নাটক।
Explanation
ব্রজবুলি হলো মৈথিলী ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে সৃষ্ট এক ধরণের কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। মধ্যযুগে বৈষ্ণব কবিরা (যেমন বিদ্যাপতি) রাধা-কৃষ্ণের পদাবলী রচনার জন্য এই শ্রুতিমধুর ভাষাটি ব্যবহার করতেন। এটি কোনো অঞ্চলের কথ্য ভাষা নয়।
Explanation
এই কালজয়ী উক্তিটি করেছেন মধ্যযুগের বিখ্যাত পদাবলী কবি চণ্ডীদাস (দ্বিজ চণ্ডীদাস)। মানবতাবাদের চরম নিদর্শন হিসেবে তাঁর এই পঙক্তিটি বাংলা সাহিত্যে এবং মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছে।
Explanation
‘চতুরঙ্গ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ১৯১৬ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে শচীশ, শ্রীবিলাস, এবং দামিনী চরিত্রের মাধ্যমে ধর্ম, প্রেম, এবং নাস্তিকতার সংঘাত অপূর্ব শৈলীতে চিত্রিত হয়েছে।
Explanation
‘কয়েকটি কবিতা’ হলো আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি সমর সেনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থে নাগরিক জীবনের ক্লান্তি, হতাশা এবং মধ্যবিত্তের সংকট মার্কসীয় দৃষ্টিতে ফুটে উঠেছে।