পদ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্যের মূল ভিত্তি হলো ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতা। চলিত ভাষায় এগুলো সংকুচিত হয়।
Explanation
বীণাপাণি = বীণা পাণিতে যার। এটি বহুব্রীহি সমাস। যেহেতু দুটি পদের বিভক্তি বা অবস্থান ভিন্ন এবং কোনো পদেরই অর্থ প্রধান নয়, এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি।
Explanation
‘মরি! মরি!’ শব্দগুচ্ছ দ্বারা বক্তার মনের গভীর ভালোলাগা বা উচ্ছ্বাস প্রকাশ পাচ্ছে। এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের উচ্ছ্বাসবাচক প্রয়োগ।
Explanation
‘না’ একটি অব্যয় পদ। এটি বাক্যে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করতে বা প্রশ্নের উত্তরে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো রূপান্তর হয় না।
Explanation
লবণ শব্দের বিশেষণ রূপ হলো ‘লবণাক্ত’। লোনা বা নোনতা দেশি শব্দ বা ভিন্ন উৎসজাত, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে লবণাক্ত শব্দটি তৎসম বিশেষণের রূপ।
Explanation
‘ঘোড়া খুব দ্রুত চলে’ বাক্যে ‘দ্রুত’ হলো ক্রিয়া বিশেষণ (ঘোড়া চলে)। আর ‘খুব’ শব্দটি ‘দ্রুত’ বিশেষণকে বিশেষিত করছে, তাই ‘খুব’ হলো বিশেষণের বিশেষণ।
Explanation
বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত ৫ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় এবং ক্রিয়া।
Explanation
‘মেঘলা’ শব্দটি ‘মেঘ’ বিশেষ্য থেকে গঠিত হয়ে আকাশ বা দিনের অবস্থা বোঝায় (মেঘলা দিন)। এটি অবস্থা প্রকাশক বিশেষণ।
Explanation
‘অথবা’ একটি বিয়োজক অব্যয়। এটি দুটি পদের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো রূপান্তর হয় না।
Explanation
‘খাই খাই’ এখানে খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা বা আকুলতা প্রকাশ করছে। ব্যাকরণিক বিচারে এটি ক্রিয়া বিশেষণ বা দ্বিত্ব বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয় যা অবস্থার তীব্রতা বোঝায়।