প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০১৫-২য় ধাপ - Read Mode

Browse questions and answers at your own pace

80 Total Questions
Back to Category
A
প্রত্যক্ষ
B
নিরপেক্ষ
C
সমক্ষ
D
পরোক্ষ

Explanation

'অক্ষির সমীপে' বা চোখের সামনে - এর এককথায় প্রকাশ হলো 'সমক্ষ'। অন্যদিকে 'অক্ষির অভিমুখে' হলে 'প্রত্যক্ষ' এবং 'অক্ষির অগোচরে' হলে 'পরোক্ষ' হয়। সঠিক উত্তর সমক্ষ।

A
অব্যয়
B
ক্রিয়া
C
বিশেষণ
D
বিশেষ্য

Explanation

'না' একটি অব্যয় পদ। যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থাকে এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশের সংযোগ বা বিয়োগ ঘটায়, তাকে অব্যয় বলে। বাংলা ভাষায় 'না', 'নি' ইত্যাদি না-বাচক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

A
সন্ধ্যা
B
সন্দা
C
সান্ধ্য
D
সাঁঝ

Explanation

'সন্ধ্যা' একটি বিশেষ্য পদ, এর বিশেষণ রূপ হলো 'সান্ধ্য'। যেমন: সান্ধ্য আইন, সান্ধ্য ভোজ ইত্যাদি। ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদের রূপান্তর ঘটিয়ে বিশেষণ গঠন করা হয়।

A
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
B
ড. আহমদ শরীফ
C
ড. সুকু মার সেন
D
ড. সুনীতিকু মার চট্টোপাধ্যায়

Explanation

'ভাষা প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণ' গ্রন্থটি রচনা করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। এটি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রামাণ্য ব্যাকরণ গ্রন্থ। তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়েও বিস্তারিত গবেষণা করেছেন।

A
বহুব্রীহি সমাস
B
অব্যয়ীভাব সমাস
C
কর্মধারয় সমাস
D
দ্বিগু সমাস

Explanation

'নীল যে আকাশ' = নীলাকাশ, এটি কর্মধারয় সমাস। যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

A
রান্ন + আ
B
রাঁধ + না
C
রান + না
D
রাদ+ না

Explanation

'রান্না' শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো: রাঁধ্‌ + না। এটি ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ এবং সমীভবন প্রক্রিয়ায় গঠিত। কথ্য রীতিতে এটি বেশি প্রচলিত।

A
অহরহ
B
বিদ্যালয়
C
দুঃশ্চিন্তা
D
ণিজন্ত

Explanation

বিদ্যালয় (বিদ্যা + আলয়) হলো স্বরসন্ধির উদাহরণ। এখানে আ + আ মিলে 'আ' হয়েছে। বাকি অপশনগুলোর মধ্যে অহরহ (বিসর্গ), ণিজন্ত (ব্যঞ্জন) এবং দুঃশ্চিন্তা (বিসর্গ) সন্ধির উদাহরণ।

A
অপাদানে শূন্য
B
কর্মকারকে শূন্য
C
কর্তায় শূন্য
D
অধিকরণে শূন্য

Explanation

বাক্যটিতে 'কাকে' দেখিনি প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'ছেলে'। তাই এটি কর্ম কারক। আর শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। অর্থাৎ কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।

A
অর্ধ-তৎসম
B
তদ্ভব
C
দেশি
D
তৎসম

Explanation

'ব্যাকরণ' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি তৎসম শব্দ। তৎসম মানে 'তার সমান' অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান। চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র ইত্যাদিও তৎসম শব্দ।

A
ঘন-ঘন
B
ঝমঝম
C
ভাল- ভাল
D
রাশি রাশি

Explanation

'ঝমঝম' শব্দটি বৃষ্টির শব্দের অনুকরণে গঠিত, তাই এটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে গঠিত শব্দের দ্বিরুক্তিকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলে।