প্রত্যয় - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম মূল অংশকে প্রকৃতি বলে। এটি ক্রিয়া বা নাম পদের মূল উৎস।
Explanation
‘চালান’ শব্দটি ‘চাল্’ ধাতু থেকে গঠিত। চাল্ + আন = চালান। এটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
Explanation
ধাতুর শেষে ‘অন’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়। যেমন: গমন (গম্ + অন), দর্শন (দৃশ + অন)।
Explanation
‘হৈমন্তিক’ = হেমন্ত + ষ্ণিক। ষ্ণিক প্রত্যয় যোগে বিশেষ্য পদটি বিশেষণে রূপান্তরিত হয় এবং আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে।
Explanation
‘লাজুক’ শব্দটি ‘লাজ’ শব্দ থেকে গঠিত। লাজ + উক = লাজুক। এটি স্বভাব বা প্রকৃতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
কিছু কৃদন্ত পদে ‘অ’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব প্রয়োগ দেখা যায় (বিশেষ করে সংস্কৃত নিয়মে), তবে বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ে এটি ভিন্ন হতে পারে। অপশন অনুযায়ী ‘অ’ প্রত্যয় সঠিক।
Explanation
‘চলন্ত’ = চল্ + অন্ত। এটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ যা চলমান অবস্থা নির্দেশ করে।
Explanation
‘রাঁধুনী’ শব্দটি ‘রাঁধ্’ ধাতু থেকে এসেছে। রাঁধ্ + উনি = রাঁধুনী। এটি পেশাদার রন্ধনশিল্পীকে বোঝায়।
Explanation
‘শৈশব’ = শিশু + ষ্ণ। সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে ‘ষ্ণ’ যোগ হলে আদি স্বরের বৃদ্ধি হয় এবং অন্ত্য স্বর লোপ বা পরিবর্তন হয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় প্রত্যয়, সমাস, উপসর্গ ও সন্ধি শব্দ গঠনের উপায়। এর মধ্যে প্রত্যয় অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া যা শব্দ বা ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।