প্রত্যয় - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘দ্রাঘিমা’ শব্দটি ‘দীর্ঘ’ শব্দ থেকে এসেছে। দীর্ঘ + ইমন = দ্রাঘিমা। এখানে ‘ইমন’ প্রত্যয় যোগে বিশেষ্য পদ গঠিত হয়েছে এবং দীর্ঘ শব্দের রূপান্তর ঘটেছে।
Explanation
‘শূন্’ একটি ধাতু যা সাধারণত সাধিত ধাতু হিসেবে গণ্য হয়। এটি সংস্কৃত বা বিদেশী উৎস থেকে আগত বা গঠিত হতে পারে।
Explanation
তদ্ধিত প্রত্যয় নাম প্রকৃতি বা প্রাতিপদিকের (শব্দমূল) সাথে যুক্ত হয়। ক্রিয়া প্রকৃতির সাথে যুক্ত হয় কৃৎ প্রত্যয়।
Explanation
‘মেধাবী’ শব্দটি ‘মেধা’ শব্দের সাথে ‘বিন’ (বিনি) প্রত্যয় যোগে গঠিত। মেধা + বিন = মেধাবী। এটি গুণ বা অধিকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘ষ্ণ’ (অ) প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রকৃতির আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। যেমন: শিশু + ষ্ণ = শৈশব (ই > ঐ), দিন + ষ্ণ = দৈন।
Explanation
‘কার্য’ শব্দটি ‘কৃ’ ধাতু থেকে গঠিত। কৃ + ণ্যৎ (য) = কার্য। এখানে ঋ-কার বৃদ্ধি পেয়ে ‘আর’ হয়েছে।
Explanation
শব্দ গঠনের জন্য প্রকৃতি বা ধাতুর পরে যে অর্থহীন শব্দাংশ যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। এটি শব্দের রূপ ও অর্থ পরিবর্তন করে।
Explanation
‘পাঠক’ শব্দটি ‘পঠ্’ ধাতু থেকে গঠিত। ‘পঠ্’ একটি সংস্কৃত মূল ধাতু। তাই এটি সংস্কৃত শ্রেণীর ধাতু হতে গঠিত।
Explanation
‘কেষ্টা’ (কেষ্ট + আ) নামটি আদর বা অবজ্ঞা উভয় অর্থেই ব্যবহৃত হতে পারে, তবে ব্যাকরণিক উদাহরণে এটি প্রায়ই অবজ্ঞা বা তুচ্ছার্থে ব্যবহৃত হয়। নিমাই, কানাই সাধারণত আদরে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘মশারি’ শব্দটি ‘মশা’ থেকে এসেছে। মশা + অরি (আরি) = মশারি। এখানে ‘অরি’ মানে শত্রু বা যা মশা থেকে রক্ষা করে।