সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
যে সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে লোপ পায় না, তাকে অলুক সমাস বলে। অলুক দ্বন্দ্ব, অলুক তৎপুরুষ ও অলুক বহুব্রীহি—এই তিন প্রকার সমাসেই বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।
Explanation
‘কাজল-কাল’ শব্দটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘কাজল’ হলো উপমান এবং ‘কালো’ হলো সাধারণ ধর্ম। তাই এর সঠিক ব্যাসবাক্য হবে ‘কাজলের ন্যায় কালো’।
Explanation
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায় = মুখচন্দ্র। এখানে সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না।
Explanation
বিষাদসিন্ধু (বিষাদ রূপ সিন্ধু) হলো রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। এখানে বিষাদ (উপমেয়) এবং সিন্ধু (উপমান) এর মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
Explanation
‘ছাগদুগ্ধ’ পদটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্যে ষষ্ঠী বিভক্তি (র/এর) যুক্ত থাকে। স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ পূর্বে থাকলে তা পুরুষবাচক হয়, তাই সঠিক ব্যাসবাক্য ‘ছাগীর দুগ্ধ’।
Explanation
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে। ‘কলেছাঁটা’ (কলে ছাঁটা) শব্দটিতে সপ্তমী বিভক্তি ‘এ’ লোপ পায়নি, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
Explanation
‘গা-ঢাকা’র ব্যাসবাক্য হলো ‘গা কে ঢাকা’। এখানে পূর্বপদ থেকে দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ লোপ পেয়েছে। তাই এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের একটি সঠিক উদাহরণ।
Explanation
‘হা-ভাত’ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘হা’ উপসর্গটি ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এর সঠিক ব্যাসবাক্য হবে ‘ভাতের অভাব’।
Explanation
‘পঙ্কজ’ (পঙ্কে জন্মে যা) শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। এখানে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয়েছে এবং ‘জ’ ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে এটি গঠিত হয়েছে।
Explanation
‘দ্বীপ’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য ‘দু দিকে অপ (জল) যার’। সাধারণ নিয়ম অনুসরণ না করে গঠিত হওয়ায় একে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়।