সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
নিত্য সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, কারণ সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে। ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর।
Explanation
আশীতে (দাঁতে) বিষ যার = আশীবিষ। এটি ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে দুটি পদের কোনোটিতেই বিশেষণ নেই এবং দুটিই বিশেষ্য পদ ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত।
Explanation
‘আরক্তিম’ শব্দে ‘আ’ উপসর্গটি ‘ঈষৎ’ বা ‘সামান্য’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। পূর্ণ লাল নয়, বরং কিছুটা লাল ভাব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
Explanation
‘রাজপুত’ শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস (রাজার পুত্র), কিন্তু এর ব্যুৎপত্তিগত বা প্রচলিত অর্থ ‘জাতিবিশেষ’। সমাসের মাধ্যমে গঠিত শব্দ অনেক সময় মূল অর্থ পরিবর্তন করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
Explanation
‘উপকূল’ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘উপ’ অব্যয়টি ‘সমীপ’ বা ‘নিকট’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রাধান্য পায়।
Explanation
‘নির্দয়’ (নাই দয়া যার) শব্দটি নঞ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘নি’ (নাই) অব্যয় যোগে নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে এবং তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে।
Explanation
‘প্রাণপাখি’ (প্রাণ রূপ পাখি) হলো রূপক কর্মধারয় সমাস। এখানে উপমেয় ‘প্রাণ’ এবং উপমান ‘পাখি’-এর মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয়ের মূল বৈশিষ্ট্য।
Explanation
‘দশানন’ একটি বহুব্রীহি সমাস। এর সঠিক ব্যাসবাক্য ‘দশ আনন (মাথা) আছে যার’। এটি দ্বারা দশটি মাথা বা সংখ্যা না বুঝিয়ে ‘রাবণ’ নামক বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝানো হয়।
Explanation
‘অনুপ্রেরণা’ (প্রেরণার পশ্চাৎ বা অনুকূল) শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘অনু’ অব্যয়টি ‘পশ্চাৎ’ বা ‘যোগ্যতা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে।
Explanation
‘ছেলেধরা’ (ছেলে ধরে যে) হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস। এখানে ‘ধরা’ হলো কৃদন্ত পদ এবং ‘ছেলে’ হলো উপপদ। কৃদন্ত পদের পূর্বে উপপদ বসলে তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।