সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘অন্যগৃহ’-এর ব্যাসবাক্য হলো ‘গৃহান্তর’। নিত্য সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী, যেসব সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্যের জন্য অন্য পদের দরকার হয়, তা নিত্য সমাস। ‘গৃহান্তর’ তেমনই একটি উদাহরণ।
Explanation
‘উপকণ্ঠ’ হলো অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি ‘সমীপে’ বা ‘কাছে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ‘কণ্ঠের সমীপে’।
Explanation
ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বা ব্যতিহার বোঝালে এবং একই বিশেষ্যের দ্বিরুক্তি হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। ‘লাঠালাঠি’ শব্দটি দ্বারা লাঠিতে লাঠিতে যুদ্ধ বোঝায়, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।
Explanation
‘কাঁচাপাকা’ শব্দটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। দুটি বিশেষণ পদে (কাঁচা ও পাকা) একটি বিশেষ্যকে বা বস্তুকে বোঝালে তা কর্মধারয় সমাস হয়। এখানে একই বস্তু কাঁচা ও পাকা উভয়ই।
Explanation
‘সিংহপুরুষ’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ‘পুরুষ সিংহের ন্যায়’। এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস। এখানে উপমেয় (পুরুষ) এবং উপমান (সিংহ) এর মধ্যে তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ গুণের উল্লেখ নেই।
Explanation
‘মৌমাছি’র ব্যাসবাক্য হলো ‘মৌ আশ্রিত মাছি’ বা ‘মৌ সংগ্রহকারী মাছি’। এখানে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পেয়েছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
সমাসবদ্ধ পদগুলো অনেক সময় আলাদা করে দেখানোর প্রয়োজন হলে হাইফেন (-) ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে দ্বন্দ্ব সমাসের ক্ষেত্রে এবং কিছু বিশেষ শব্দে এর ব্যবহার দেখা যায়।
Explanation
পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য হলে এবং সমস্তপদটি দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। এটি ব্যাকরণের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম।
Explanation
অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই সমস্তপদে প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়। তাই অব্যয়ীভাব সমাসকে পূর্বপদ প্রধান সমাস বলা হয়।
Explanation
‘জলমাত্র’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘কেবল জল’। নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, এর ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের (এখানে ‘কেবল’) সাহায্য নিতে হয় এবং পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে।