সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘শ্বেতবস্ত্র’ এর ব্যাসবাক্য ‘শ্বেত যে বস্ত্র’। এখানে বিশেষণ ‘শ্বেত’ ও বিশেষ্য ‘বস্ত্র’ এর সমাস হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান, তাই এটি কর্মধারয় সমাস।
Explanation
‘পলান্ন’ এর ব্যাসবাক্য ‘পল মিশ্রিত অন্ন’। এখানে ‘মিশ্রিত’ নামক মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পেলে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
Explanation
‘মহর্ষি’ এর ব্যাসবাক্য ‘মহৎ যে ঋষি’। এখানে বিশেষণ ‘মহৎ’ এবং বিশেষ্য ‘ঋষি’ মিলে সমাস হয়েছে এবং পরপদ প্রধান। এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘মোমবাতি’ এর ব্যাসবাক্য ‘মোম নির্মিত বাতি’, যা মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। বাকিগুলো (দিলদরিয়া, শোকানল, মোহনিন্দ্রা) রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘পুরুষসিংহ’ এর ব্যাসবাক্য ‘পুরুষ সিংহের ন্যায়’। এখানে উপমেয় ‘পুরুষ’ এবং উপমান ‘সিংহ’ এর মধ্যে তুলনা করা হয়েছে, সাধারণ গুণের উল্লেখ নেই। তাই এটি উপমিত কর্মধারয়।
Explanation
‘ভবনদী’ এর ব্যাসবাক্য ‘ভব রূপ নদী’। এখানে ‘ভব’ (পৃথিবী/সংসার) এবং ‘নদী’ এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। অভেদ কল্পনা থাকলে তা রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।
Explanation
‘বিষাদসিন্ধু’ এর ব্যাসবাক্য ‘বিষাদ রূপ সিন্ধু’। এখানে বিষাদ (কষ্ট) এবং সিন্ধু (সাগর) এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে, তাই এটি রূপক কর্মধারয় সমাস।
Explanation
‘মহাকাব্য’ এর ব্যাসবাক্য ‘মহৎ যে কাব্য’। এটি বিশেষণ ও বিশেষ্য যোগে গঠিত এবং পরপদ প্রধান, তাই এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাস। অন্যগুলো বহুব্রীহি বা অব্যয়ীভাব।
Explanation
‘রাজপুত্র’ এর ব্যাসবাক্য ‘রাজার পুত্র’। এখানে পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি ‘র’ লোপ পেয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান। তাই এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘খে চরে যে’ = খেচর। এখানে ‘খে’ (আকাশে) পদের বিভক্তি লোপ পায়নি এবং এটি কৃদন্ত পদের সাথে যুক্ত। এটি অলুক উপপদ তৎপুরুষ বা উপপদ তৎপুরুষ হিসেবে গণ্য হয়।