সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
কাল বা স্থান জুড়ে কোনো কাজ সংঘটিত হলে বা ব্যপ্তি বোঝালে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন: চিরকাল ব্যাপীয়া সুখী = চিরসুখী। এখানে ব্যপ্তি অর্থ প্রকাশ পায়।
Explanation
‘বেড়াজাল’ এর ব্যাসবাক্য ‘বেড়া জালের ন্যায়’। এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়নি বরং তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
Explanation
‘রক্তারক্তি’ এর ব্যাসবাক্য ‘রক্তে রক্তে লেপন করিয়া যে যুদ্ধ’। একই শব্দের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝালে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
Explanation
‘মেঘশ্যাম’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য ‘মেঘের ন্যায় শ্যাম’ বা ‘মেঘের মত শ্যাম’। এখানে মেঘ (উপমান) এবং শ্যাম (সাধারণ গুণ) এর মধ্যে তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি উপমান কর্মধারয়।
Explanation
‘তুষারশুভ্র’ এর ব্যাসবাক্য ‘তুষারের ন্যায় শুভ্র’। এখানে তুষার (উপমান) এবং শুভ্র (সাধারণ গুণ) এর উল্লেখ আছে। সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকলে তা উপমান কর্মধারয় হয়।
Explanation
‘পকেট মারে যে’ = পকেটমার। এখানে ‘পকেট’ হলো উপপদ এবং ‘মার’ হলো ধাতু। উপপদের সাথে ধাতুর বা কৃদন্ত পদের সমাস হলে তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
Explanation
‘যৌবন সূর্য’ এর ব্যাসবাক্য ‘যৌবন রূপ সূর্য’। এখানে উপমেয় (যৌবন) ও উপমান (সূর্য) এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। অভেদ কল্পনা করা হলে তা রূপক কর্মধারয় সমাস হয়।
Explanation
ব্যাসবাক্যের অন্তর্গত প্রতিটি পদকে সমস্যমান পদ বলে। এই পদগুলো মিলেই সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদ গঠিত হয়। যেমন- ‘বিলাত ফেরত’ এখানে ‘বিলাত’ ও ‘ফেরত’ সমস্যমান পদ।
Explanation
সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বে বসে যদি সমাহার বা সমষ্টি অর্থ প্রকাশ করে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন- তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা।
Explanation
‘ঘোড়াড্ডিম’ শব্দটি ‘ঘোড়ার ডিম’ থেকে এসেছে, যা ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে গঠিত একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। এটি বাগধারা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় যার অর্থ অলীক বস্তু।