সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘জলদ’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘জল দেয় যা’। এখানে ‘জল’ উপপদ এবং ‘দা’ ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে।
Explanation
‘আনত’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ‘ঈষৎ নত’। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি ‘ঈষৎ’ বা ‘সামান্য’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে সমাস হয়, তা হলো অব্যয়ীভাব সমাস।
Explanation
‘হাট-বাজার’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘হাট ও বাজার’। এটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
Explanation
‘দুধেভাতে’ এর ব্যাসবাক্য ‘দুধে ও ভাতে’। যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এখানে ‘এ’ বিভক্তি লোপ পায়নি।
Explanation
‘যে চালাক সেই চতুর’ = চালাক-চতুর। এখানে বিশেষণ পদের সাথে বিশেষণ পদের সমাস হয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান। এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।
Explanation
‘পুরুষসিংহের ন্যায়’ = পুরুষসিংহ। এখানে উপমেয় ‘পুরুষ’ আগে এবং উপমান ‘সিংহ’ পরে বসেছে এবং সাধারণ গুণের উল্লেখ নেই। এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘গায়ে পড়া’ এর ব্যাসবাক্য ‘গায়ে পড়ে যে’। এখানে ‘গায়ে’ উপপদ এবং ‘পড়া’ কৃদন্ত পদ। উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের মিলনে যে সমাস হয়, তা হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
Explanation
‘তেল, নুন ও লাকড়ি’ = তেল-নুন-লাকড়ি। তিন বা ততোধিক পদ মিলে যে দ্বন্দ্ব সমাস গঠিত হয়, তাকে বহুপদী দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এখানে তিনটি পদ একত্রিত হয়েছে।
Explanation
‘অন্তর্গত অপ যার’ = অন্তরীপ। এটি সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়েছে বলে একে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলা হয়। ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম এতে খাটে না।
Explanation
‘উপশহর’ মানে শহরের মতো বা শহরের সদৃশ। এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি সাদৃশ্য বা মিল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি উদাহরণ।