সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘বিরানব্বই’ এর ব্যাসবাক্য ‘দুই এবং নব্বই’। এটি নিত্য সমাসের অন্তর্গত কারণ এর ব্যাসবাক্য সচরাচর ব্যবহার হয় না বা এটি নিত্য সমাসবদ্ধ।
Explanation
‘বর্ণ চুরি করে যে’ = বর্ণচোরা। এখানে ‘বর্ণ’ উপপদ এবং ‘চুরি করা’ ক্রিয়া। উপপদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হওয়ায় এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
Explanation
দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান প্রত্যেকটি পদের অর্থ প্রধান থাকে। যেমন- ‘বাবা-মা’ (বাবা ও মা), এখানে উভয়ের অর্থই সমান গুরুত্ব পায়।
Explanation
‘প্রাণভয়’ এর ব্যাসবাক্য ‘প্রাণ যাওয়ার ভয়’। এখানে ‘যাওয়ার’ মধ্যপদটি লোপ পেয়েছে। তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
Explanation
বাংলা ব্যাকরণে সমাসের রীতি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারেই বাংলা সমাসের শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে।
Explanation
সমাস প্রক্রিয়ায় সমস্যমান পদগুলো মিলে যে নতুন পদ গঠিত হয়, তাকে সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদ বলে। যেমন- ‘রাজপুত্র’।
Explanation
‘অনুগমন’ এর ব্যাসবাক্য ‘গমনের পশ্চাৎ’। এখানে ‘অনু’ উপসর্গটি পশ্চাৎ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘যথারীতি’ এর ব্যাসবাক্য ‘রীতিকে অতিক্রম না করে’। এখানে ‘যথা’ শব্দটি অনতিক্রম্যতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
Explanation
‘দ্বীপ’ এর সঠিক ব্যাসবাক্য ‘দুদিকে অপ (জল) যার’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ। এর গঠন সাধারণ নিয়মের বাইরে।
Explanation
‘পণ্ডিতমূর্খ’ এর ব্যাসবাক্য ‘পণ্ডিত হয়েও যিনি মূর্খ’। এখানে দুটি বিশেষণ পদে কর্মধারয় সমাস হয়েছে এবং একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে।