সমাস - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘লাঠালাঠি’ এর ব্যাসবাক্য ‘লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই’। ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝালে এবং একই বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তি হলে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
Explanation
‘সমাস’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সংক্ষেপণ। একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে এটি ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও শ্রুতিমধুর করে।
Explanation
পোস্টাল কোড বা ডাক সংকেত হলো ডাকঘর চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত সংখ্যা। এটি মূলত প্রাপকের এলাকা বা ডাকঘর সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করে।
Explanation
‘কালান্তর’ এর ব্যাসবাক্য ‘অন্য কাল’। যে সমাসের ব্যাসবাক্যের জন্য অন্য পদের প্রয়োজন হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। এটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।
Explanation
‘মুজিববর্ষ’ এর ব্যাসবাক্য ‘মুজিব বিষয়ক বর্ষ’ বা ‘মুজিব নামাঙ্কিত বর্ষ’। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস, যেখানে মধ্যপদ লোপ পেয়েছে।
Explanation
‘বিষাদসিন্ধু’ এর ব্যাসবাক্য ‘বিষাদ রূপ সিন্ধু’। এখানে বিষাদ (কষ্ট) ও সিন্ধু (সাগর) এর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের বৈশিষ্ট্য।
Explanation
‘রাজপথ’ এর ব্যাসবাক্য ‘পথের রাজা’। ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে ‘রাজা’ শব্দটি পরে থাকলেও ব্যাসবাক্যে অর্থানুসারে শেষে বসে এবং ‘পথের’ আগে বসে।
Explanation
‘উপভাষা’ এর ব্যাসবাক্য ‘ভাষার সদৃশ’ বা ‘ক্ষুদ্র ভাষা’। এখানে ‘উপ’ উপসর্গটি সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
Explanation
উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমান পদের উল্লেখ থাকলেও সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না। যেমন- মুখচন্দ্র (মুখ চন্দ্রের ন্যায়), এখানে সাধারণ গুণ উল্লেখ নেই।
Explanation
প্রধানত সমাস ছয় প্রকার। যথা- দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু এবং অব্যয়ীভাব সমাস। তবে আধুনিক কোনো কোনো ব্যাকরণে দ্বিগুকে কর্মধারয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।