সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বিসর্গ সন্ধির নিয়মে দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র। বিসর্গের পর চ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য ‘শ’ হয়। সঠিক উত্তর: দুঃ + চরিত্র।
Explanation
বিসর্গ সন্ধির নিয়মে অধঃ + গতি = অধোগতি। বিসর্গ ও অ-কার মিলে ও-কার হয়েছে। সঠিক উত্তর: অধঃ + গতি।
Explanation
‘মনীষা’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘মনস্+ঈষা’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি উদাহরণ। বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে উচ্চারণের নিয়ম মেনে এই সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।
Explanation
'তপোবন' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘তপঃ+বন’। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। অ-ধ্বনির পর বিসর্গ এবং পরে বর্গের তৃতীয়/চতুর্থ বর্ণ বা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও অ মিলে ও-কার হয়।
Explanation
'উদ্যোগ'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘উৎ+যোগ’। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত। ত্ (ৎ) বা দ্-এর পর য্-ফলা বা য্ থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে দ্ হয় বা লোপ পায় এবং পরবর্তী বর্ণ দ্বিত্ব হয় না, এখানে জ/য এর মিলনে বিশেষ রূপ পায়।
Explanation
‘দৈনিক’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ‘দিন+এক’। এটি স্বরসন্ধির বৃদ্ধিকরণের নিয়মে পড়ে। অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় (অ + এ = ঐ)।
Explanation
‘অহরহ’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘অহঃ+অহ’। এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। র-জাত বিসর্গের পর স্বরবর্ণ বা বর্গের তৃতীয়/চতুর্থ বর্ণ থাকলে বিসর্গ স্থানে ‘র’ হয় এবং তা পরবর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়।
Explanation
'বিচ্ছিন্ন' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘বি+ছিন্ন’। স্বরধ্বনির পর ‘ছ’ থাকলে দ্বিত্ব হয়ে ‘চ্ছ’ হয়। এখানে ই-কারের পর ছ থাকায় তা চ্ছ হয়েছে। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম।
Explanation
সঠিক উত্তর ‘দুঃ+নীতি=দুর্নীতি’। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম। বিসর্গের পর ন থাকলে বিসর্গ স্থানে রেফ (র্) হয়। বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম।
Explanation
‘ব্যর্থ’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘বি+অর্থ’। এটি য-ফলা সন্ধির নিয়মে গঠিত। ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরবর্ণ থাকলে ই/ঈ স্থানে য (য-ফলা) হয়। (বি + অর্থ = ব্যর্থ)।