সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘পনির’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ‘পনি+এর’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে গঠিত সন্ধি হিসেবে ব্যাকরণে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। উচ্চারণের সুবিধার্থে এই রূপ গৃহীত।
Explanation
‘প্রত্যুপকার’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘প্রতি+উপকার’। ই-কারের পর উ-কার থাকলে ই-কার য-ফলা হয় এবং উ-কার সেই য-ফলায় যুক্ত হয়। (ই + উ = য + উ)।
Explanation
‘আশ্চর্য’ (আ + চর্য) নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলেও এটি মূলত ব্যঞ্জন সন্ধির বা বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ রূপ। বিকল্প অনুযায়ী এটি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হয়।
Explanation
‘যজ্ঞ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ‘যজ্+ন’। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে জ্-এর পর ন থাকলে তা যুক্ত হয়ে ‘জ্ঞ’ (জ+ঞ আকৃতি) ধারণ করে। এটি একটি বিশেষ ব্যঞ্জন সন্ধি।
Explanation
‘ষষ্ঠ’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘ষষ্+থ’। মূর্ধন্য ষ-এর পরে ‘থ’ থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ‘ঠ’ হয়। তাই ষষ্ + থ = ষষ্ঠ। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম।
Explanation
‘শুভেচ্ছা’-এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘শুভ+ইচ্ছা’। অ-কারের পর ই-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়। (অ + ই = এ)। এটি স্বরসন্ধির গুণ সন্ধির নিয়ম।
Explanation
‘কুলটা’ (কুল + অটা) কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না, তাই এটি ‘নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি’। সাধারণ নিয়মে এটি ‘কুলাটা’ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা না হয়ে ‘কুলটা’ হয়েছে।
Explanation
‘জগজ্জীবন’ (জগৎ + জীবন) সন্ধিটি ‘ত+জ = জ্জ’ নিয়মে গঠিত। ত্-এর পরে জ থাকলে ত্ স্থানে জ হয় এবং পরবর্তী জ-এর সাথে যুক্ত হয়ে জ্জ গঠন করে।
Explanation
‘পুরস্কার’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ ‘পুরঃ+কার’। বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে অ-কারের পর স্থিত বিসর্গ দন্ত্য স-এ পরিণত হয়। এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম।
Explanation
‘মনোভিলাষ’ (মনঃ + অভিলাষ) বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গ ও স্বরবর্ণের মিলনে এটি গঠিত হয়েছে, যা বিসর্গ ও ব্যঞ্জন সন্ধি বা বিসর্গ সন্ধি ক্যাটাগরিতে পড়ে।