সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘মহা+ঐশ্চর্য’ সন্ধিবদ্ধ হয়ে ‘মহৈশ্বর্য’ হয়। আ-কারের পর ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়। প্রদত্ত অপশনে ‘মহশ্বৈর্য’ বানানটি সঠিক সন্ধিবদ্ধ রূপ ‘মহৈশ্বর্য’-কে নির্দেশ করছে।
Explanation
‘অন্বেষণ’ (অনু + এষণ) স্বরসন্ধির উদাহরণ। উ-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে উ-কার ব-ফলা হয়। এটি স্বরসন্ধির একটি সাধারণ নিয়ম।
Explanation
‘লবণ’ (লো + অন) স্বরসন্ধির উদাহরণ। ও-কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে ও-কার স্থানে ‘অব্’ হয়। বাকি অপশনগুলো ব্যঞ্জন বা বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
Explanation
‘রাজ্ঞী’ (রাজ্ + নী) ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ। চ-বর্গের ধ্বনির পর নাসিক্য ধ্বনি থাকলে তা তালব্য নাসিক্য ধ্বনিতে পরিণত হয়।
Explanation
‘কৃদন্ত’ (কৃৎ + অন্ত) ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ। ত্-এর পর স্বরবর্ণ থাকলে ত্ স্থানে দ্ হয়। এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনের ব্যঞ্জন সন্ধি।
Explanation
‘ভয়’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘ভী+অ’। দীর্ঘ ঈ-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ঈ-কার স্থানে ‘আয়’ বা ঐ জাতীয় পরিবর্তন হয়, এখানে ভী থেকে ভয় গঠিত হয়েছে।
Explanation
‘একাদশ’ (এক + দশ) একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। সাধারণ নিয়মে অ+অ মিলে আ হওয়ার কথা (একাদশা), কিন্তু তা না হয়ে ‘একাদশ’ হয়, তাই এটি নিয়ম মানে না।
Explanation
‘মতৈক্য’ (মত + ঐক্য) স্বরসন্ধির অন্তর্গত। অ-কারের পর ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয়। এটি স্বরসন্ধির বৃদ্ধিকরণের নিয়ম।
Explanation
‘উচ্ছাস’ (উৎ + শ্বাস) ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্গত। ত্ বা দ্-এর পর শ থাকলে ত্/দ্ স্থানে চ এবং শ স্থানে ছ হয়। এটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম।
Explanation
‘কৃষ্টি’ (কৃষ্ + তি) ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ। মূর্ধন্য ষ-এর পর ত থাকলে তা ট-বর্গীয় ধ্বনি (ট/ঠ/ড/ঢ) বা এখানে ‘টি’-তে পরিণত হয়। এটি ব্যঞ্জন সন্ধি।