সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
নির্ভুল হলো ‘দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা’। বিসর্গের পর বর্গের তৃতীয়/চতুর্থ বর্ণ থাকলে বিসর্গ স্থানে রেফ হয় এবং তা পরবর্তী বর্ণের মাথায় বসে।
Explanation
‘তাৎক্ষণিক’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ ‘তৎক্ষণ + ইক’। এটি মূলত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, তবে সন্ধি বা সংযোগের নিয়ম অনুসারে মূল শব্দ তৎক্ষণ থেকে এসেছে।
Explanation
‘অলঙ্কার’ এর সঠিক বিশ্লেষণ ‘অলম + কার’। ম্-এর পর ক থাকলে ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হয়। এটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম।
Explanation
পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে ‘সন্ধি’ বলে। সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের সুবিধা ও ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি করা।
Explanation
সন্ধি ব্যাকরণের ‘ধ্বনিতত্ত্বে’ আলোচিত হয়। যেহেতু সন্ধি মূলত ধ্বনির পরিবর্তন ও মিলন নিয়ে কাজ করে, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
Explanation
সন্ধি শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘মিলন’। ব্যাকরণে এটি ধ্বনির মিলন বা সংযোগকে নির্দেশ করে।
Explanation
সন্ধিতে মূলত ‘ধ্বনির’ (বা বর্ণের) মিলন হয়। উচ্চারিত ধ্বনির লিখিত রূপ বর্ণ হলেও মূল প্রক্রিয়াটি ধ্বনিগত। অপশনে ‘বর্ণ’ থাকলে তা সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
Explanation
সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো ‘শব্দের স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা আনয়ন’ এবং ধ্বনিমাধুর্য রক্ষা করা। এটি উচ্চারণকে সাবলীল করে।
Explanation
বাংলা সন্ধি প্রধানত ‘দুই প্রকার’: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। বাংলা ভাষায় বিসর্গ সন্ধি মূলত ব্যঞ্জন সন্ধিরই অন্তর্গত বা আলাদাভাবে ধরা হয় না (খাঁটি বাংলার ক্ষেত্রে)।
Explanation
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত ‘সমীভবনের’ (Assimilation) নিয়মে ঘটে থাকে। উচ্চারণের সুবিধার্থে পাশাপাশি দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়।