সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত বা তৎসম সন্ধি ৩ প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি এবং বিসর্গ সন্ধি। প্রশ্নে সংস্কৃত সন্ধির কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে।
Explanation
‘খাঁটি বাংলা শব্দে’ বিসর্গের ব্যবহার নেই। বিসর্গ মূলত সংস্কৃত (তৎসম) শব্দের বৈশিষ্ট্য। বাংলা শব্দে এর প্রয়োগ দেখা যায় না।
Explanation
সন্ধিতে হসন্ত ত্ (ৎ) এর পর শ (তালব্য স) থাকলে উভয় মিলে ‘চ্ছ’ হয়। যেমন: উৎ + শ্বাস = উচ্ছ্বাস। প্রশ্নে ‘স’ থাকলেও সাধারণত তালব্য শ-এর নিয়মটিই এখানে প্রযোজ্য।
Explanation
খাঁটি বাংলায় ‘বিসর্গ সন্ধি’ নেই। বিসর্গ সন্ধি সম্পূর্ণভাবে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম এবং তৎসম শব্দেই কেবল এটি পাওয়া যায়।
Explanation
'বিদ্যালয়' (বিদ্যা+আলয়) সন্ধিতে ‘আ + আ’ সূত্রের প্রয়োগ আছে। আ-কারের পর আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়।
Explanation
আধুনিক ব্যাকরণে বা অনেক মতে বিসর্গ সন্ধি ‘ব্যঞ্জন সন্ধি’র অন্তর্ভুক্ত, কারণ বিসর্গ ব্যঞ্জনধ্বনিরই (র্ বা স্) পরিবর্তিত রূপ।
Explanation
‘ভূষণ’ শব্দটিতে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়, তবে ষত্ব বিধানের নিপাতনে সিদ্ধ ব্যবহারের উদাহরণ হিসেবে এটি পরিচিত।
Explanation
ও-কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে ও-কার স্থানে ‘অব’ হয়। যেমন: পো + অন = পবন। এটি স্বরসন্ধির নিয়ম।
Explanation
তৎসম সন্ধি ৩ প্রকার: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গ সন্ধি। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসারে এই বিভাজন করা হয়েছে।
Explanation
'পরস্পর' এর সন্ধি বিচ্ছেদ ‘পর+পর’। এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, অর্থাৎ সাধারণ সন্ধির নিয়ম না মেনে এটি গঠিত হয়েছে।