সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
এটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। বিসর্গের পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়। এখানে চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ। সঠিক উত্তর: চতুঃ + পদ।
Explanation
সন্ধি ধ্বনির মিলন নিয়ে কাজ করে, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology) অংশের আলোচ্য বিষয়। অন্যদিকে কারক, সমাস ইত্যাদি রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে আলোচিত হয়।
Explanation
‘বনস্পতি’ একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি, অর্থাৎ এটি সন্ধির সাধারণ নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: বন + পতি। (কখনো কখনো ‘বনঃ + পতি’ অপশনে থাকলে সেটিও গ্রাহ্য হয়, তবে ‘বন + পতি’ অধিক প্রচলিত নিপাতন)।
Explanation
‘হিমালয়’ শব্দটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। হিম (অ) + আলয় (আ) = হিমালয় (আ)। এখানে দুটি স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে। অন্যগুলো ব্যঞ্জন বা বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
Explanation
এটি স্বরসন্ধির দীর্ঘ ই-ভবন নিয়মে গঠিত। দীর্ঘ ঈ-কারের পর দীর্ঘ ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। সতী + ঈশ = সতীশ। সঠিক উত্তর: সতী + ঈশ।
Explanation
‘গবেষণা’ শব্দটি অয়াদি সন্ধির নিয়মে গঠিত। ও-কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে ‘ও’ স্থানে ‘অব্’ হয়। গো + এষণা = গবেষণা। সঠিক উত্তর: গো + এষণা।
Explanation
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। ত্ বা দ্-এর পরে চ্ বা ছ্ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে ‘চ্’ হয়। এখানে চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র। সঠিক উত্তর: চলৎ + চিত্র।
Explanation
‘মনস্তাপ’ বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত। বিসর্গের পর ত বা থ থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য ‘স’ হয়। তাই মনঃ + তাপ = মনস্তাপ। সঠিক উত্তর: মনঃ + তাপ।
Explanation
য-ফলা সন্ধির নিয়মানুসারে, ই-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ই-কার স্থানে য-ফলা হয়। এখানে প্রতি + উষ = প্রত্যুষ। সঠিক উত্তর: প্রতি + উষ।
Explanation
‘ভাস্বর’ শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে গণ্য হতে পারে বা স-জাত বিসর্গ সন্ধি হিসেবে ধরা হয় যেখানে বিসর্গ লোপ পেয়ে ‘স্’ বজায় থাকে। সঠিক বিচ্ছেদ: ভাস্ + বর।