সন্ধি - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। দীর্ঘ ঈ-কারের পর হ্রস্ব ই-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। এখানে সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র। সঠিক উত্তর: সুধী + ইন্দ্র।
Explanation
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে, ত্ বা দ্-এর পর চ্ বা ছ্ থাকলে ত্/দ্ স্থানে চ্ হয় এবং পরবর্তী ছ্ বজায় থাকে বা চ্ছ যুক্তবর্ণ হয়। উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ। সঠিক উত্তর: উৎ + ছেদ।
Explanation
স্বরসন্ধির নিয়মে অ বা আ-কারের পর ও বা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়। এখানে জল (অ) + ওকা (ও) = জলৌকা (ঔ)। সঠিক উত্তর: জল + ওকা।
Explanation
স্বরসন্ধির নিয়মে অ বা আ-কারের পর এ বা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়। মত + ঐক্য = মতৈক্য। সঠিক উত্তর: মত + ঐক্য।
Explanation
য-ফলা সন্ধির নিয়মে ই-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে ই-কার স্থানে য-ফলা হয় এবং রেফ রূপে বসে। পরি + অন্ত = পর্যন্ত। সঠিক উত্তর: পরি + অন্ত।
Explanation
অয়াদি সন্ধির নিয়মানুসারে, ঐ-কারের পর স্বরবর্ণ থাকলে ঐ-কার স্থানে ‘আয়’ হয়। গৈ (ঐ) + অক = গায়ক। সঠিক উত্তর: গৈ + অক।
Explanation
বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয়। এখানে নিঃ + পত্তি = নিষ্পত্তি। সঠিক উত্তর: নিঃ + পত্তি।
Explanation
‘বাচস্পতি’ একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। সাধারণ নিয়মের বাইরে গঠিত হয়ে এটি ‘বাচঃ + পতি’ থেকে ‘বাচস্পতি’ হয়েছে। সঠিক উত্তর: বাচঃ + পতি।
Explanation
অয়াদি সন্ধির নিয়মে এ-কারের পর ভিন্ন স্বরবর্ণ থাকলে এ-কার স্থানে ‘অয়’ হয়। নে (এ) + অন = নয়ন। সঠিক উত্তর: নে + অন।
Explanation
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে ত্ বা দ্-এর পর নাসিক্য বর্ণ (ন, ম) থাকলে ত্/দ্ স্থানে ঐ বর্গের নাসিক্য বর্ণ (ন) হয়। তৎ + ময় = তন্ময়। সঠিক উত্তর: তৎ + ময়।