উপসর্গ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘অজ’ একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা সাধারণত নিন্দিত বা নিতান্ত মন্দ অর্থে ব্যবহৃত হয় (যেমন: অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ)। ফি ও খাস বিদেশি এবং অতি সংস্কৃত উপসর্গ।
Explanation
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ২০টি সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে ‘প্র’ এবং ‘পরা’ অন্যতম। এগুলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। তাই এগুলো সংস্কৃত উপসর্গ।
Explanation
‘আগাছা’ শব্দটি ‘আ’ উপসর্গ এবং ‘গাছা’ শব্দের সংযোগে গঠিত। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি ‘অকেজো’ বা ‘বাজে’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অন্য শব্দগুলো উপসর্গ যোগে গঠিত নয়।
Explanation
উপসর্গ সর্বদা ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে এবং নতুন শব্দ গঠন করে বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। প্রত্যয় এবং বিভক্তি শব্দের পরে বসে। অনুসর্গ সাধারণত পরে, তবে মাঝে মাঝে পূর্বেও বসতে পারে।
Explanation
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা হলো ২০টি। যেমন: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ।
Explanation
২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গের মধ্যে ‘অজ’ অন্যতম। এটি সাধারণত নেতিবাচক বা নিন্দার্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন- অজপাড়াগাঁ। অতি সংস্কৃত, ফি ও খাস বিদেশি উপসর্গ।
Explanation
‘আঘাটা’ শব্দটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘আ’ যোগে গঠিত হয়েছে (আ+ঘাটা)। এখানে ‘আ’ উপসর্গটি অভাব বা নিন্দিত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি শব্দগুলো উপসর্গ যোগে গঠিত নয়।
Explanation
উপসর্গের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, অর্থাৎ স্বাধীনভাবে এরা কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। কিন্তু শব্দের আগে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করার বা অর্থ পরিবর্তনের ক্ষমতা এদের আছে।
Explanation
‘অনাবৃষ্টি’ শব্দটি ‘অনা’ উপসর্গ যোগে গঠিত, যা একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। এটি সাধারণত অভাব বা অশুভ অর্থে ব্যবহৃত হয়। অন্য শব্দগুলোতে সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।
Explanation
‘নিদাঘ’ শব্দে ‘নি’ উপসর্গটি ‘আতিশয্য’ বা ‘গভীরতা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। নিদাঘ অর্থ প্রবল গরম বা গ্রীষ্মকাল, যেখানে তাপের আধিক্য বোঝানো হয়েছে।