ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' কে যৌগিক বর্ণ বা যৌগিক স্বরধ্বনি বলা হয়। 'ঐ' গঠিত হয় অ+ই দিয়ে এবং 'ঔ' গঠিত হয় ও+উ দিয়ে। এগুলো উচ্চারণে দুটি স্বর একত্রিত হয়।
Explanation
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য 'ষ' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এর সমন্বয়ে গঠিত (ষ + ণ)। এটি সাধারণত তৎসম শব্দে ব্যবহৃত হয়, যেমন: উষ্ণ, কৃষ্ণ, বিষ্ণু ইত্যাদি।
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট বা ওষ্ঠের স্পর্শ লাগে, তাদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে। প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) হলো ওষ্ঠ্যধ্বনির উদাহরণ।
Explanation
স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন তার সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলা হয়। যেমন: আ-কার, ই-কার।
Explanation
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি মূর্ধন্য 'ষ' এবং মূর্ধন্য 'ণ' এর সংযোগে গঠিত (ষ + ণ)। এই যুক্তবর্ণটি দেখতে অনেক সময় 'ষ' এবং 'ঞ' এর মতো মনে হতে পারে, কিন্তু সঠিক রূপ ষ+ণ।
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। বাকযন্ত্রের সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজই ধ্বনি, যা ভাষার ভিত্তি। বর্ণ হলো ধ্বনির প্রতীক, কিন্তু মূল একক ধ্বনিই।
Explanation
বর্গের ১ম বর্ণটি অঘোষ ও অল্পপ্রাণ উভয় বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। 'চ' হলো চ-বর্গের ১ম বর্ণ, তাই এটি অঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে না) এবং অল্পপ্রাণ (বাতাসের চাপ কম)।
Explanation
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'ধ' হলো ত-বর্গীয় বর্ণ, যা দন্ত্য বর্ণ। তবে আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে দন্ত্য ও দন্তমূলীয়র মধ্যে পার্থক্য করা হয়। ব্যাকরণগতভাবে ত-বর্গের বর্ণগুলোকে দন্ত্য বলা হয়।
Explanation
‘ঐ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি কারণ এটি ‘অ’ এবং ‘ই’ এই দুটি স্বরের সমন্বয়ে উচ্চারিত হয়। বাংলা বর্ণমালায় ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’ এই দুটি যৌগিক স্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ রয়েছে।
Explanation
‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি শোকগাঁথা বা বিলাপমূলক গ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যে গদ্যরীতির একটি অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।