ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থবোধক আওয়াজ। এই ধ্বনির মাধ্যমেই শব্দ এবং শব্দ দিয়ে বাক্য গঠিত হয়ে ভাষা পূর্ণতা পায়।
Explanation
বাংলা ভাষায় উচ্চারিত মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা। বর্ণমালায় ১১টি স্বরবর্ণ থাকলেও ধ্বনি হিসেবে মৌলিক স্বর ৭টিই ধরা হয়।
Explanation
বর্গের প্রথম ও তৃতীয় ধ্বনি অল্পপ্রাণ। 'চ' হলো চ-বর্গের প্রথম ধ্বনি, তাই এটি অল্পপ্রাণ। উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপ কম থাকে বলে একে অল্পপ্রাণ বলা হয়।
Explanation
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিকে ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো: ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ এবং প-বর্গ।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র ২টি। এগুলো হলো ‘ঐ’ (অ+ই) এবং ‘ঔ’ (ও+উ)। যদিও যৌগিক স্বরধ্বনি ২৫টি, কিন্তু বর্ণমালায় স্থান পেয়েছে কেবল এই ২টি।
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না বা কাঁপে না, তাদের অঘোষ বর্ণ বলা হয়। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো সাধারণত অঘোষ বর্ণ হয়।
Explanation
স্বরধ্বনিমূল বা মৌলিক স্বরধ্বনি হলো ৭টি (অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা)। এগুলো ভাষার মূল ধ্বনি উপাদান যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে।
Explanation
বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত প্রতীক। ভাষার ধ্বনিগুলোকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকেই বর্ণ বলা হয়। তাই বর্ণ ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব করে।
Explanation
‘ই’ হলো একটি মৌলিক স্বরধ্বনি কারণ একে বিশ্লেষণ বা বিভাজন করা যায় না। অন্যদিকে ‘ঔ’ এবং ‘ঐ’ হলো যৌগিক স্বরধ্বনি, এবং ‘ঈ’ সাধারণত দীর্ঘ স্বর হিসেবে গণ্য হলেও মৌলিক ধ্বনির তালিকায় ‘ই’ প্রধান।
Explanation
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বের হয়, তাদের নাসিক্য ধ্বনি বলে। বর্গের পঞ্চম বর্ণগুলো (ঙ, ঞ, ণ, ন, ম) নাসিক্য ধ্বনি। এখানে ‘ম’ একটি নাসিক্য ধ্বনি।