ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ণত্ব ও ষত্ব বিধান ধ্বনির পরিবর্তন ও বর্ণের সঠিক ব্যবহার বিষয়ক নিয়ম, তাই এটি ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়। এটি বানানের শুদ্ধতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Explanation
যেকোনো ভাষার মতো বাংলা ভাষারও তিনটি প্রধান মৌলিক অংশ রয়েছে: ধ্বনি (Phonology), শব্দ (Morphology), এবং বাক্য (Syntax)। এগুলো ভাষার গঠন ও প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
Explanation
‘ঝ’ হলো চ-বর্গের চতুর্থ বর্ণ। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ হয় কারণ এগুলো উচ্চারণে ফুসফুস তাড়িত বাতাস জোরে নির্গত হয়। চ, ট, প হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি ভাষার শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ এবং এর মাধ্যমেই শব্দ গঠিত হয়। একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে তৈরি শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে মনের ভাব প্রকাশ করে।
Explanation
ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের স্থান হলো কণ্ঠ বা জিহ্বামূল। তাই এদের কণ্ঠধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় পরাশ্রয়ী ধ্বনি বা বর্ণ ৩টি। এগুলো হলো: অনুস্বার (ং), বিসর্গ (ঃ) এবং চন্দ্রবিন্দু (ঁ)। এগুলো অন্য বর্ণের আশ্রয় ছাড়া স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হতে পারে না।
Explanation
ট-বর্গীয় বর্ণগুলো (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) উচ্চারণের সময় জিহ্বার ডগা উল্টে ওপরের মাড়ির শক্ত অংশ বা মূর্ধাকে স্পর্শ করে। তাই এদের মূর্ধন্য বর্ণ বলা হয়।
Explanation
‘ঔ’ হলো একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর। এটি ‘ও’ এবং ‘উ’—এই দুটি স্বরের মিলিত উচ্চারণের লিখিত রূপ। বাংলা বর্ণমালায় এটি একটি স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে স্থান পেয়েছে।
Explanation
ক-বর্গের ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল অংশ কোমল তালুকে স্পর্শ করে, তাই এদের জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠধ্বনি বলা হয়।
Explanation
ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ (অথবা এদের কার-চিহ্ন) এর পরে দন্ত্য-ন পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: ঋণ, কারণ, ভীষণ।