ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম উপাদান বা একক হলো ধ্বনি। ধ্বনি মানুষের বাগযন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট অর্থবোধক আওয়াজ, যা ভাষার গাঠনিক ভিত্তি তৈরি করে।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণ রয়েছে। যদিও মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি, কিন্তু সাধারণ অর্থে 'স্বরধ্বনি' বা 'স্বরবর্ণ' কয়টি জিজ্ঞাসা করলে উত্তর ১১টি হয়।
Explanation
পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জন থাকলে তার একটি লোপ পেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। এখানে 'বড় দাদা' থেকে একটি 'দা' লোপ পেয়ে 'বড়দা' হয়েছে, তাই এটি ব্যঞ্জনচ্যুতি।
Explanation
আদি বা অন্ত্য স্বরের প্রভাবে মধ্যবর্তী স্বরের পরিবর্তন হলে তাকে মধ্যগত স্বরসঙ্গতি বলে। যেমন: জিলাপি > জিলিপি (এখানে আদ্য ও অন্ত্য ই-কারের প্রভাবে মাঝের আ-কার ই-কার হয়েছে)।
Explanation
মাত্রাবৃত্ত ছন্দে পূর্ণ-পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়, তবে ৫ বা ৭ মাত্রারও হতে পারে। কিন্তু আদর্শ মান হিসেবে ৬ মাত্রাই বেশি প্রচলিত। অক্ষরবৃত্তে ৮ বা ১০ মাত্রা দেখা যায়।
Explanation
তালব্য-শ, মূর্ধন্য-ষ এবং দন্ত্য-স উচ্চারণের সময় শিস্ দেওয়ার মতো শব্দ হয় বলে এদের শিশধ্বনি বা উষ্মধ্বনি বলা হয়। এখানে 'শ' হলো শিশধ্বনির উদাহরণ।
Explanation
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তন বা একটির জায়গায় অন্যটির আগমনকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যদিও লাল>ফাল ঠিক ক্লাসিকাল বিপর্যয় নয়, এটি পিশাচ>পিচাশ এর মতো নয়, বরং ধ্বনি পরিবর্তনের একটি লৌকিক রূপ।
Explanation
শব্দের মাঝখান থেকে স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বর লোপ বা সম্প্রকর্ষ বলে। যেমন: গামোছা > গামছা (এখানে মাঝের 'ও' কার লোপ পেয়েছে)।
Explanation
ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীককে বর্ণ বলা হয়। ধ্বনি কানে শোনা যায়, আর বর্ণ চোখে দেখা যায়। ভাষাকে লিখে প্রকাশ করার জন্য বর্ণের উদ্ভব হয়েছে।
Explanation
‘ঞ’ (ইও) বর্ণটি যখন যুক্তবর্ণে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি পরবর্তী বর্ণের বর্গের নাসিক্য ধ্বনির রূপ নেয় বা উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি তার নিজস্ব উচ্চারণ বজায় রাখতে পারে না।