ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘লাউ’ শব্দে ‘আ’ এবং ‘উ’ এই দুটি স্বরধ্বনি পাশাপাশি দ্রুত উচ্চারিত হয়ে একটি দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি করে। যদিও এর জন্য আলাদা বর্ণ নেই, তবুও এটি উচ্চারণে যৌগিক স্বর।
Explanation
যদিও ‘ঋ’ বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত, কিন্তু আধুনিক ধ্বনিবিজ্ঞানে অনেক সময় এর উচ্চারণ ‘রি’ (ব্যঞ্জন) এর মতো হওয়ায় একে বিশুদ্ধ স্বরধ্বনি হিসেবে গণ্য করা নিয়ে বিতর্ক আছে।
Explanation
বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক ধ্বনি ৩৭টি। এর মধ্যে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি। এটি আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের স্বীকৃত সংখ্যা।
Explanation
পরপর একই ধরনের শব্দের ব্যবহারে যখন অর্থের বলিষ্ঠতা প্রকাশ পায় এবং দ্বিতীয় শব্দটি প্রথমটির অনুকরণে তৈরি হয় কিন্তু অর্থহীন হয়, তখন তাকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এখানে 'চুপচাপ' সঠিক উদাহরণ।
Explanation
জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়। 'আ' উচ্চারণের সময় জিহ্বা সবচেয়ে নিচে থাকে এবং মুখবিবর সবচেয়ে বেশি ফাঁক হয়, তাই একে নিম্ন-বিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়।
Explanation
শব্দের জোর বা গুরুত্ব বোঝানোর জন্য কোনো ব্যঞ্জনকে দুইবার উচ্চারণ করা হলে তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বলে। এখানে 'ড়' ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়ে 'ড্ড' হয়েছে।
Explanation
এই পাঁচটি বর্ণ উচ্চারণের সময় ওপরের ও নিচের ঠোঁট বা ওষ্ঠ স্পর্শ করে। তাই উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এদের ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় মোট যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি। তবে বর্ণমালায় এর জন্য মাত্র ২টি স্বতন্ত্র বর্ণ (ঐ, ঔ) রয়েছে। বাকিগুলো উচ্চারণে পাওয়া যায় কিন্তু আলাদা বর্ণ নেই।
Explanation
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর স্থান পরিবর্তনকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। 'পিশাচ' শব্দটি উচ্চারণে 'পিচাশ' হলে 'শ' এবং 'চ' তাদের স্থান অদলবদল করেছে, যা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ।
Explanation
চ-বর্গের বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) এবং তালব্য-শ, য, য় উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুকে স্পর্শ করে। তাই এদের তালব্য বর্ণ বলা হয়।