ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি হলেও প্রকৃত ব্যঞ্জন বা মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি হিসেবে অনেক ভাষাবিদ ৩৫টিকে গণ্য করেন (কিছু যৌগিক ও রূপভেদ বাদ দিয়ে)। তবে সাধারণ পাঠ্যবইয়ে ৩৯টিই প্রচলিত।
Explanation
স্বরতন্ত্রী অনুরণন বা কম্পন অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে) এবং অঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে না)।
Explanation
ধ্বনি উচ্চারণের জন্য ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের বিভিন্ন স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই প্রক্রিয়ায় মুখবিবর হলো ক্ষেত্র এবং জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য (ঠোঁট) হলো প্রধান সক্রিয় উপকরণ।
Explanation
প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারণের সময় দুটি ঠোঁট বা ওষ্ঠ পরস্পরকে স্পর্শ করে, তাই এদের দ্বি-ওষ্ঠ্য বা ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
Explanation
ব্যঞ্জনবর্ণ স্বরবর্ণের সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না। তাই উচ্চারণের সুবিধার্থে প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে একটি অ-কার (অ স্বরধ্বনি) যুক্ত আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
Explanation
‘ক’ একটি ব্যঞ্জনধ্বনি, কিন্তু একে পূর্ণাঙ্গ অক্ষর বা বর্ণ হিসেবে উচ্চারণ করতে হলে এর সাথে ‘অ’ ধ্বনি যুক্ত করতে হয়। হসন্ত থাকলে শুধু ধ্বনি বোঝায়, অ-যুক্ত হলে অক্ষর হয়।
Explanation
স্বরবর্ণ বা স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখবিবরের কোথাও বাধা পায় না, সরাসরি বেরিয়ে আসে। কিন্তু ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে বাতাস কোথাও না কোথাও বাধা পায়।
Explanation
প্রাচীন ব্যাকরণ বা অনেকে অন্তঃস্থ ধ্বনির তালিকায় য, র, ল এর সাথে ‘ব’ (অন্তঃস্থ-ব) কে অন্তর্ভুক্ত করেন। আধুনিক বাংলা বর্ণমালায় এই ‘ব’ এবং বর্গীয় ‘ব’ এর আকৃতি অভিন্ন।
Explanation
অঘোষ ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে না বা অনুরণিত হয় না। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো সাধারণত অঘোষ ধ্বনি হয়।
Explanation
‘ঐ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা ‘অ’ এবং ‘ই’ (বা কখনো ও+ই হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হয়, তবে মূলগতভাবে অ+ই) এর মিলিত রূপ। উচ্চারণে এটি ‘ওই’ এর মতো শোনায়।