ধ্বনি ও বর্ণ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
‘ঔ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা ‘ও’ এবং ‘উ’ এর মিলিত রূপ। উচ্চারণে এটি ‘ওউ’ এর মতো শোনায়। এটি বাংলা বর্ণমালার দুটি যৌগিক স্বরবর্ণের একটি।
Explanation
দ্রুত উচ্চারণের সময় শব্দের ভেতর থেকে কোনো স্বরধ্বনি লোপ পেলে বা হারিয়ে গেলে তাকে সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ বলা হয়। স্থানভেদে এটি আদি, মধ্য বা অন্ত্য স্বরলোপ হতে পারে।
Q3. ধ্বনি হলো -
Explanation
ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম অংশ বা একক। মানুষের বাকপ্রত্যঙ্গ হতে উচ্চারিত অর্থবোধক আওয়াজই ধ্বনি, যা ভাষার ভিত্তি গঠন করে।
Explanation
বর্ণ বিপর্যয় বা ধ্বনি বিপর্যয়ে শব্দের দুটি ব্যঞ্জন পরস্পর স্থান বিনিময় করে। 'পিশাচ' থেকে 'পিচাশ' উচ্চারণে 'শ' এবং 'চ' স্থান পরিবর্তন করেছে, তাই এটি বর্ণ বিপর্যয়ের উদাহরণ।
Explanation
বর্গের প্রথম ধ্বনিটি একই সাথে অঘোষ (স্বরতন্ত্রী কাঁপে না) এবং অল্পপ্রাণ (বাতাসের চাপ কম)। 'চ' হলো চ-বর্গের প্রথম ধ্বনি, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ।
Explanation
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। ধ্বনি ভাষার মৌখিক রূপের ভিত্তি। আর ধ্বনির লিখিত রূপ হলো বর্ণ। শব্দ ও বাক্য ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত বড় একক।
Explanation
ক-বর্গের পাঁচটি ধ্বনি (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের সময় জিহ্বামূল কণ্ঠনালী বা কোমল তালুকে স্পর্শ করে, তাই এদের কণ্ঠধ্বনি বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি বলা হয়।
Explanation
বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি। যদিও বর্ণমালায় ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ আছে, কিন্তু ধ্বনিবিজ্ঞানীদের মতে মৌলিক ধ্বনি হিসেবে ৩০টি স্বীকৃত।
Explanation
উচ্চারণের সুবিধার্থে শব্দের শুরুতে কোনো স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে আদি স্বরাগম বলে। 'স্কুল' উচ্চারণে শুরুতে 'ই' স্বরধ্বনি এসে 'ইস্কুল' হয়েছে, তাই এটি আদি স্বরাগম।
Explanation
বর্ণ বিপর্যয়ে শব্দের মধ্যবর্তী দুটি ব্যঞ্জন পরস্পর স্থান বদল করে। পিশাচ > পিচাশ, বাক্স > বাস্ক—এগুলো বর্ণ বিপর্যয়ের উদাহরণ।