শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
ভাষার উৎপত্তি, বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয় ঐতিহাসিক ব্যাকরণে (Historical Grammar)।
Explanation
যে কোনো ভাষার প্রধান তিনটি মৌলিক উপাদান বা অংশ থাকে: ধ্বনি (Sound), শব্দ (Word) এবং বাক্য (Sentence)। অনেক সময় অর্থকেও ধরা হয়, কিন্তু কাঠামোগতভাবে এই তিনটিই প্রধান।
Explanation
একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম গুণ হলো ‘যোগ্যতা’ বা ‘অর্থবোধকতা’। বাক্যকে অবশ্যই অর্থপূর্ণ হতে হবে এবং বক্তার মনের ভাব প্রকাশ করতে হবে।
Explanation
ধ্বনির লিখিত রূপ বা সাংকেতিক চিহ্নকেই বর্ণ বলা হয়। যেমন: ‘অ’ ধ্বনির লিখিত রূপ ‘অ’ বর্ণ।
Explanation
বাংলা ভাষায় ধ্বনি প্রধানত ২ প্রকার: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি। মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
Explanation
বাংলা বর্ণমালায় মোট ১০টি মাত্রাহীন বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
Explanation
স্বরধ্বনি যখন ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে যুক্ত হয়, তখন তার পূর্ণরূপ ব্যবহৃত না হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়, যাকে ‘কার’ বলা হয়। তাই এটি সংক্ষিপ্ত আকারে যুক্ত হয়।
Explanation
ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫টি বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের কোনো না কোনো স্থানে স্পর্শ করে, তাই এদের স্পর্শধ্বনি বা স্পর্শবর্ণ বলা হয়।
Explanation
ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের স্থান কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, তাই এদের কণ্ঠধ্বনি বলা হয়।
Explanation
আধুনিক বাংলায় ‘ণ’ (মূর্ধন্য ণ) এবং ‘ন’ (দন্ত্য ন) এর উচ্চারণে কোনো পার্থক্য নেই। উভয় বর্ণই দন্ত্যমূলীয় ‘ন’ ধ্বনি প্রকাশ করে। অর্থাৎ ধ্বনিগতভাবে এদের মধ্যে ঐক্য রয়েছে।