শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপাদিক বলে। এখানে ‘কলম’ একটি প্রাতিপাদিক কারণ এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই। (হাতা = হাত+আ, গোলাপি = গোলাপ+ই, গরমিল = গর+মিল)।
Explanation
যেসব শব্দ মৌলিক নয়, অর্থাৎ যা অন্য শব্দ বা শব্দাংশ যোগে গঠিত, তাদের সাধিত শব্দ বলা হয়। সাধিত শব্দ সমাস, প্রত্যয় বা উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত হতে পারে।
Explanation
যেসব শব্দের অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের সম্মিলিত অর্থের অনুসারী হয়, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: গায়ক, বাবুয়ানা।
Explanation
‘রাজপুত’ একটি যোগরূঢ় শব্দ। এটি সমাস নিষ্পন্ন পদ (রাজার পুত্র), কিন্তু সাধারণ অর্থ ত্যাগ করে একটি জাতি বিশেষকে বোঝায়।
Explanation
প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ যখন মূল অর্থ ছেড়ে বিশিষ্ট অর্থ নেয়, তখন তাকে রূঢ় শব্দ বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন: প্রবীণ, সন্দেশ।
Explanation
‘গায়ক’ একটি যৌগিক শব্দ। গৈ + অক = গায়ক। এটি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ (গান করে যে) পুরোপুরি অনুসরণ করে।
Explanation
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দ ৪ প্রকার: ১. অঙ্কবাচক, ২. পরিমাণবাচক (গণনাবাচক), ৩. ক্রমবাচক (পূরণবাচক) এবং ৪. তারিখবাচক।
Explanation
‘সপ্তাহ’ (সপ্ত অহের সমাহার) একটি পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দের সমষ্টি বোঝালেও ব্যাকরণিক বিচারে এটি গণনাবাচক বা পরিমাণবাচক শ্রেণিতে পড়ে কারণ এটি দ্বারা দিনগুলোর সমষ্টির পরিমাণ বোঝায়।
Explanation
বাংলা ভাষায় এক থেকে একশ পর্যন্ত গণনা করার রীতিকে ‘দশ গুণোত্তর পদ্ধতি’ বলা হয়, কারণ এটি ১০-এর গুণিতক ও স্থানীয় মানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
Explanation
প্রথম, দ্বিতীয়, দশম ইত্যাদি শব্দগুলো কোনো কিছুর ক্রম বা অবস্থান নির্দেশ করে, তাই এগুলোকে পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা শব্দ বলা হয়।