শব্দ - Read Mode
Browse questions and answers at your own pace
Explanation
শব্দকে প্রধানত তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়: ১. গঠনমূলক, ২. অর্থমূলক এবং ৩. উৎসমূলক।
Explanation
গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ১. মৌলিক শব্দ এবং ২. সাধিত শব্দ।
Explanation
অর্থগতভাবে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: ১. যৌগিক, ২. রূঢ় বা রূঢ়ি এবং ৩. যোগরূঢ় শব্দ। (বি.দ্র. অপশনে ৩ থাকলে ৩ সঠিক, তবে অনেক পুরানো বই বা ভিন্ন মতে ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে ৩ প্রকার। প্রশ্নের উত্তরে ৫ দেওয়া নেই, উত্তর ৩-ই হবে। কিন্তু এখানে অপশনে '৩ প্রকার' আছে এবং উত্তর '৫ প্রকার' দেওয়া—যা সাধারণত ভুল। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ মতে ৩ প্রকার। যেহেতু উত্তরপত্রে ৫ আছে, হয়তো ভুল আছে। স্ট্যান্ডার্ড উত্তর ৩।)
Explanation
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন: গোলাপ, নাক, লাল।
Explanation
মৌলিক শব্দগুলোই ভাষার মূল ভিত্তি বা উপকরণ, কারণ এগুলো দিয়েই সাধিত শব্দগুলো তৈরি হয়।
Explanation
মৌলিক শব্দের সাথে কোনো উপসর্গ বা বিভক্তি যুক্ত থাকে না। এগুলো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং অবিভাজ্য একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Explanation
সাধিত শব্দ সাধারণত দুই ভাবে গঠিত হয়: সমাসের সাহায্যে এবং প্রত্যয়/উপসর্গের সাহায্যে। তবে ব্যাকরণে প্রকারভেদ সুনির্দিষ্টভাবে ২ বা ৩ বলা কঠিন যদি না ভিত্তি উল্লেখ থাকে। অপশন অনুযায়ী উত্তর ৩ দেওয়া হতে পারে (সমাস, প্রত্যয়, উপসর্গ)।
Explanation
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ (প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ) এবং ব্যবহারিক অর্থ (প্রচলিত অর্থ) একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: গায়ক, কর্তব্য।
Explanation
‘বাঁশি’ একটি রূঢ় শব্দ। বাঁশের তৈরি যে কোনো বস্তুকে না বুঝিয়ে এটি বিশেষ এক বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায়। জলধি ও মহাযাত্রা যোগরূঢ়, কর্তব্য যৌগিক।
Explanation
সমাস নিষ্পন্ন পদ যখন সাধারণ অর্থ ত্যাগ করে বিশেষ অর্থ গ্রহণ করে, তখন তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা > পদ্ম)।